বারাসতে শ্লীলতাহানি, এবার অটোতে

Update: February 13, 2013 20:34 IST

ফের শ্লীলতাহানির ঘটনা  আতঙ্কের  বারাসতে। শ্লীলতাহানি করে এক মহিলাকে অটো থেকে ধাক্কা দিয়ে ফেলে দিল দুষ্কৃতীরা। থানায় অভিযোগ দায়ের হলেও এখনও পর্যন্ত কাউকে গ্রেফতার করতে পারেনি পুলিস। একজনকে আটক করা হলেও ঘটনায় তিনি জড়িত নন বলে জানান অভিযোগকারী মহিলা। পরে ওই ব্যক্তিকে ছেড়ে দেয় পুলিস।   

বুধবার সকাল থেকেই থমথমে বারাসতের হেলা বটতলা। অটোস্ট্যান্ডে ইতস্তত যাত্রীদের ভিড়। মহিলা যাত্রীদের চোখে-মুখে  নিরাপত্তাহীনতা আর আতঙ্কর ছাপ। মঙ্গলবার সন্ধ্যায় অটোর মধ্যেই এক মহিলার শ্লীলতাহানির অভিযোগ উঠেছে দুষ্কৃতীদের বিরুদ্ধে। অভিযোগ, মহিলাকে অটো থেকে ধাক্কা মেরে ফেলে দেওয়া হয়।
 
ঘটনার পর থেকেই পলাতক দুই দুষ্কৃতী। খোঁজ নেই অটোচালকেরও। মঙ্গলবারই বারাসত থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন মহিলা। এক ব্যক্তিকে আটকও করে পুলিস। কিন্তু ঘটনায় ওই ব্যক্তি  জড়িত নন বলে জানান অভিযোগকারী মহিলা। পরে সেই ব্যক্তিকে ছেড়ে দেয় পুলিস।
 
বাসিন্দাদের অভিযোগ, বারাসতে একের পর এক ঘটনা ঘটলেও নিষ্ক্রিয় পুলিস। এর জেরে চূড়ান্ত নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন তাঁরা।





Post Your Comment

Total Comments:2

mamata di to police ke kono kaj korte baron kore diyeche. specially nijer doler kono kaj chara. ar didi to nijei banglar meyeder rate thik kore diyeche tai poloce ke rape case e involve hote baron koreche boleche police keo taka debo abar jar rape hoyeche takeo ? dis-casting.

amar 24 ghanta dekhte khub bhalo lage.

blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।