অলিম্পিক থেকে বাদ পড়ছে সুশীলদের খেলা

Update: February 12, 2013 17:07 IST

২০২০ অলিম্পিকে খেলতে দেখা যাবে না কুস্তিগিরদের। মঙ্গলবার আইওসির পক্ষ থেকে জানিয়ে দেওয়া হয় ২০২০ সাল থেকে অলিম্পিকে কুস্তিকে বাতিল করা হল। যার মানে দাঁড়াল তীর্থের কাকের মত অলিম্পিকে পদকের আশায় বসে থাকা ভারতীয়দের হতাশা আরও বাড়বে। কারণ অলিম্পিকে যে হাতে গোনা কটা খেলায় পদক আসে তার মধ্যে কুস্তি থাকে প্রথম সারিতে। পরপর দুটো অলিম্পিকে তিনটি পদক আসে কুস্তি থেকে।

গত বছর লন্ডন অলিম্পিকে দেশে দুটি পদক আসে কুস্তি থেকে। কুস্তিতে সুশীল কুমার তো পরপর দুটি অলিম্পিকে পদক জিতে রেকর্ড করলেন। সুশীলদের সাফল্যের পর দেশজুড়ে কুস্তি জনপ্রিয় হতে শুরু করে, কিন্তু আন্তর্জাতিক অলিম্পিক সংস্থার এই সিদ্ধান্তের পর দেশে কুস্তির ভবিষ্যত্‍ নিয়ে আবার নতুন করে প্রশ্ন ওঠা শুরু হল।

প্রসঙ্গত, কোনও খেলাকে অলিম্পিকে অন্তর্ভুক্ত হতে হলে সেই খেলার একটা আন্তর্জাতিক সংস্থা থাকতে হয় এবং চারটি মহাদেশজুড়ে ৭৫ টি দেশকে খেলতে হয়। তা না হলে আইওসি সেই খেলাকে বাদ দিতে পারে।

গ্রীষ্মকালীন অলিম্পিকের ইতিহাসে কুস্তিতে ভারত মোট ৫টি পদক জিতেছে। স্বাধীনতার পর ব্যক্তিগত ইভেন্টে ভারতের প্রথম পদক আসে এই কুস্তিতে থেকেই। সেই কুস্তিতে বাদ পড়ায় হতাশ সকলেই।





Post Your Comment

Total Comments:0
blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।