যুবভারতীতে ৯ ফেব্রুয়ারির ডার্বি দিনের আলোতেই

Update: January 29, 2013 21:46 IST

আগামি নয়ই ফেব্রুয়ারির ডার্বি ম্যাচও নৈশালোকে হচ্ছে না। এমনটাই জানিয়েছেন ক্রীড়ামন্ত্রী মদন মিত্র। স্টেডিয়ামের বাইরে সৌন্দর্য্যায়নের কাজ চললেও ভিতরে ফ্লাডলাইটের কাজ এখনও অধরাই।

গোটা রাজ্যের সৌন্দর্য্যায়নের মতই এবার সৌন্দর্য্যায়নের পথে যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গন। স্টেডিয়ামে বসছে সিসিটিভি ক্যামেরা। বাইরে সৌন্দর্য্যায়নের জন্য বসছে দেড়শোটি বাতিস্তম্ভ। বসানো হচ্ছে চোখধাঁধানো ফোয়ারাও। কিন্তু প্রয়োজনীয় ফ্লাডলাইটের কাজই শেষ হয়নি। প্রায় একবছরেরও বেশি সময় ধরে বন্ধ ফ্লাডলাইটে ম্যাচ। আগামি নয়ই ফেব্রুয়ারির ডার্বি ম্যাচও নৈশালোকে হচ্ছে না,জানিয়ে দিলেন ক্রীড়ামন্ত্রী। 
 
আগামি ২৩ ফেব্রুয়ারি কলকাতা লিগের ডার্বি ম্যাচ ফ্লাডলাইটে হওয়া নিয়েও প্রশ্ন রয়েছে। তার সিদ্ধান্ত হবে বুধবার।

Post Your Comment

Total Comments:0
blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।