আজ বিশ্বকাপে যুবরাজের প্রত্যাবর্তন

Update: September 19, 2012 11:59 IST

তাঁর কাঁধে চড়েই ২৯ বছর পর একদিনের বিশ্বকাপ জয়ের স্বাদ পেয়েছিল। তার পর তাঁর জীবনের ওপর দিয়ে বয়ে গেছে অনেক ঝড়। তাঁকে হারাতে হয়েছে এমন একজনকে যার কাছে জীবনও মাথা ঝুঁকিয়ে নেয়। সেই ক্যান্সারকে হারিয়ে জীবনের দ্বিতীয় ইনিংসে নামছেন যুবরাজ। ক`দিন আগেই অবশ্য চেন্নাইয়ে নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক টি টোয়েন্টিতে খেলেছেন। কিন্তু যুবির প্রত্যাবর্তন আসল লড়াই আজ থেকেই শুরু। শুরুতেই অবশ্য বেশ সহজ প্রতিপক্ষ যুবরাজদের। শ্রীলঙ্কায় টি টোয়েন্টি বিশ্বকাপের প্রথম ম্যাচে আজ ভারতের সামনে আফগানিস্তান।


তবে প্রতিপক্ষ দুর্বল হলেও আফগানিস্তানকে হালকা ভাবেন নিচ্ছেন না ভারত অধিনায়ক ধোনি। টি-২০ বিশ্বকাপের আগে দুটি প্রস্তুতি ম্যাচ খেলেছিল ভারত। প্রথমটায় জিতলেও পাকিস্তানের বিরুদ্ধে দ্বিতীয় ম্যাচে হারতে হয়েছিল ধোনিদের। এই হার থেকে শিক্ষা নিয়ে টিম ইন্ডিয়া বাড়তি সতর্ক হয়ে গেছে বলে জানালেন অধিনায়ক ধোনি। তাই টি-২০ বিশ্বকাপের প্রথম ম্যাচে আফগানিস্তানের মত দলকেও হালকা ভাবে নিচ্ছেন না মাহি।

ধোনি জানিয়েছেন কোন স্কোর মাথায় রেখে তাঁরা খেলতে নামবেন না। তবে তাঁর ধারণা পিচ স্পিন সহায়ক হলে একশো ষাট রানের স্কোরই যথেষ্ট হবে। টুর্নামেন্টে সাত ব্যাটসম্যান নিয়ে খেলতে নামার পরিকল্পনা রয়েছে ধোনির। টি-২০ বিশ্বকাপের আগে দুটি প্রস্তুতি ম্যাচ খেলেছিল ভারত। প্রথমটায় জিতলেও পাকিস্তানের বিরুদ্ধে দ্বিতীয় ম্যাচে হারতে হয়েছিল ধোনিদের। এই হার থেকে শিক্ষা নিয়ে টিম ইন্ডিয়া বাড়তি সতর্ক হয়ে গেছে  বলে জানালেন অধিনায়ক ধোনি। তাই টি-২০ বিশ্বকাপের প্রথম ম্যাচে আফগানিস্তানের মত দলকেও হালকা ভাবে নিচ্ছেন না মাহি। ধোনি জানিয়েছেন কোন স্কোর মাথায় রেখে তাঁরা খেলতে নামবেন না। তবে তাঁর ধারণা পিচ স্পিন সহায়ক হলে ১৬০ রানের স্কোরই যথেষ্ট হবে। টুর্নামেন্টে সাত ব্যাটসম্যান নিয়ে খেলতে নামার পরিকল্পনা রয়েছে ধোনির।
 

Post Your Comment

Total Comments:0
blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।