wine-rack

Sweet Tooth

ক্রিসমাস প্লাম কেক

বড়দিনের আনন্দের কথা বললেই যার কথা সবার আগে মনে আসে তা হল কেক। আর কেকের দুনিয়ায় এখন যেটা সবচেয়ে `হট কেক` তা হল ক্রিসমাস প্লাম কেক। সেটা যদি ঘরে তৈরি করে ফেলা যায় তাহলে মজা তো ষোলো আনা। সেই ষোলো আনা মজা নিতেই শিখে নিন ক্রিসমাস প্লাম কেক বানানোর ম্যাজিক ফর্মুলা।

জিঞ্জার ব্রেড কুকিজ

বড়দিনের মজাকে বাড়িয়ে দিতে, পার্টির মজাকে উসকে দিতে জিঞ্জার ব্রেড কুকিজ-এর জুড়িমেলা ভার। সেই `জিঞ্জার ব্রেড কুকিজ`বানানোর হাতের রসায়নের ফর্মুলা নিয়েই এই প্রতিবেদন।

ডেট স্টিকি ক্যারামেল পুডিং

ক্যারামেল সস গড়ানো ধোঁয়া ওঠা ডেট পুডিং ছাড়া ক্রিসমাসের খাবার টেবিল যেন কল্পনাই করা যায় না। খেজুর, ক্রিম আর ক্যারামেল সসের জিভে জল আনা সেই পুডিং বানিয়ে ফেলা যায় মাত্র কয়েক মিনিটের কসরতেই। জমাট বাঁধা অথচ তুলতুলে নরম, গরম পুডিংয়ের সেই স্বাদ চেখে দেখতে চোখ বুলিয়ে নিন নিচের রেসিপিতে।

চকোলেট চিপস মাফিন

চকোলট চিপস মাফিন জিনিসটা খেতে যতটা ভাল, ততটাই ভাল বানাতে। এমন একটা কথা এক নামকরা শেফের মুখে শুনেছিলাম। তাই ক্রিসমাস স্পেশাল হিসাবে জোড়া মজা দিতে মানে জিভ, আর রন্ধন শিল্পকে এক ছাতায় তুলে ধরতে এই প্রতিবেদন।

wine-rack

Party Dinner

রোস্টেড টার্কি

ক্রিসমাস আর রোস্টেড টার্কি। দুটো শব্দ যেন হরিহর আত্মা। রোস্টেড টার্কি ছাড়া ক্রিসমাস পার্টির আনন্দ যেন ঠিকঠাক টেরই পাওয় যায় না। বানাতে খাটনি আছে। তবে একটু সময় দিলেই বাড়িতেই জমিয়ে বানিয়ে ফেলা যাবে অসাধারণ সুস্বাদু টার্কির রোস্ট।

ল্যাম্ব রোস্ট

কিছু জিনিস থাকে যেগুলো খাবার পরেও জিভে লেগে থাকে। আবার কিছু খাবার থাকে যেগুলো খাওয়ার পর মনে হয়, আহা কী খেলাম। ল্যাম্ব রোস্ট খেলে দ্বিতীয় কথাটাকে আপন মনে হবে। আর এমন একটা ডিশ যদি ঘরে নিজে হাতে রান্না করে খাওয়ানো যায় তাহলে সস্তায় জনপ্রিয় হওয়ার আর কোনও বিকল্প থাকে না। তাই এই প্রতিবেদনটা ভাল করে পড়ে নিন। জিভকেও মজা দিতে পারবেন, আবার সস্তার জনপ্রিয়তাও হঠাত্‍ করে পেয়ে যাবেন।

চিকেন রোস্ট

টার্কি রোস্টে বড় হ্যাঙ্গাম। রান্না হতে প্রচুর সময় নেয়। কর্মব্যস্ত ক্রিসমাসের সহজ রোস্ট রেসিপিতে তাই চিকেন বরাবরই জনপ্রিয়। তবে ইংলিশ ড্রেসিং কিন্তু মাস্ট। রোস্ট ছিকেনের সঙ্গে জুড়ে দিন কিছু সবজিও। লাঞ্চের মেনু জমজমাট।

হোল গ্রিলড ফিশ

জিভকে একা রেখে মজা করা যায় কি? সান্তাক্লজ নাকি এমনই প্রশ্ন করে সবাইকে। প্রশ্নটার উত্তর কে কীভাবে দেয় তার ওপরেই নির্ভর করে সান্তার গিফট। এমন একটা ধারণা আছে লাতিন আমেরিকায়। আমাদের ধারনা ভোজন রসিকের সুনাম অথবা বদনাম থাকা বাঙালিকে এই প্রশ্নটা করা হলে একটাই উত্তর আসবে। না, না, না। এরপর যদি প্রশ্ন করা হয় জিভকে সবচেয়ে মজা দেওয়া যায় কোন খাবারে! তাহলে সিংহভাগের গলাতে বেরোবে মাছের নাম। আর মাছের লেটেস্ট বেস্ট ট্রিটমেন্ট হয় যেটায় সেই হোল গ্রিলড ফিশ ঘরে তৈরির রেসিপি থাকছে এই প্রতিবেদনে।

wine-rack

Hugs in the Mug

মাল্‌ড ওয়াইন

খুব ভোরে সান্টা এসে ঘুরে গিয়েছে। মোজা উল্টে তার পাঠানো গিফটের মোড়ক খুলে ফেলাও শেষ। ক্রিসমাস লাঞ্চ শেষে পড়ে আসা শিতের বেলায় এক কাপ ভালবাসার উষ্ণ ছোঁয়া, মাল্‌ড ওয়াইন। এর গন্ধে-রন্ধ্রে বড়দিন। দারচিনি-এলাচ-কমলালেবুর অম্লমধুর গন্ধের সঙ্গে ফ্রুটি ওয়াইনের কষাটে ককটেল। একটু ওয়াইনের থেকে একটু ঘন, একটু উষ্ণ। গ্লাভ্‌সের মুঠোয় এর উষ্ণ স্পর্শ ছাড়া অসম্পূর্ণ থেকে যাবে বড়দিনের দীর্ঘ সন্ধের আমেজি আড্ডা।

আইরিশ ক্রিম

কফি হোক বা মিল্কশেক। আইরিশ ক্রিমের মখমলে স্বাদে প্রগাঢ় হয় নেশার আমেজ। আরেকটু হুইস্কি মেশালে জবাব নেই। না মেশালেও অন দ্য রক্‌স আইরিশ ক্রিম ফাটাফাটি। শীতের সন্ধেয় বাড়িতে বানানো আইরিশ ক্রিমে মাত করে দিন বন্ধুদের।

ককিউটো

জাঁকিয়ে শীত পড়েছে। আর ডিসেম্বর মানেই প্রতি সন্ধেয় অতিথি সমাগম। অফিস থেকে ফিরে রোজ রোজ নিত্তনতুন ককটেল বানানো সম্ভব? শিখে নিন ককিউটো। বেশ খানিকটা বানিয়ে জমিয়ে রাখুন। দিব্যি কেটে যাবে বেশ ক`টা সন্ধ্যা।

ক্লাসিক এগনগ

এক কাপ এগনগে তোমাকে চাই। মেঘের মতো ঘন। একে স্বচ্ছন্দে ডেসার্ট ককটেল বলা যায়। বাজার থেকে ব্যুরবঁ হুইস্কি জোগার করতে পারলেই কেল্লা ফতে। উইসকনসিনের ননদ বা টোকিওর ভ্রাতৃবধু, হোমমেড এগনগ পেলে চক্ষু চরকগাছ হতে বাধ্য।

wine-rack

Party Planner

পোশাকে মোড়া বড়দিন

আকাশে, বাতাসে এখন পার্টি পার্টি গন্ধ। শেষলগ্নে ঠান্ডাও পড়েছে বেশ জাঁকিয়ে। তবে মন পার্টি পার্টি হলেও শেষমুহূর্তে পোশাক ঠিক করে উঠতেই হিমসিম দশা সকলের। একে তো ঠান্ডাটা পড়ব পড়ব করেও পড়ছিল না। তায় আবার ২১ ডিসেম্বরের পর প্রাণে বাঁচলে তবে না ক্রিসমাস!

ছোটদের বড়দিন

ক্রিসমাস এসে গেল। কানে না বাজুক, সবার মনেই এখন জিংগল বেলের সুর। সামনে এক সপ্তাহের লম্বা ছুটি। স্কুলে স্কুলে পরীক্ষা শেষ। বেরিয়ে গেছে রেজাল্টও। আসল কথা আপনার বাড়ির খুদে সদস্যদের ভারী স্কুল ব্যাগগুলো এখন কিছুদিন অন্তত তাকে তোলা থাকবে।

পার্টির রাতে ডুমসডে কন্সপিরেসি

অক্টোবর যদি হয় বাঙালির উত্‍সবের মরসুম, তবে ডিসেম্বরের শেষ সপ্তাহকে বলাই যেতে পারে আনন্দ সপ্তাহ। ২৫ থেকে ৩১, একটু বাড়িয়ে নিলে জানুয়ারির মাঝামাঝি। পার্টির আমেজ থেকে কি আর এত সহজে বেরনো যায়? তাই এই কয়েকদিন পার্টির মাদকতা চাই রোজ রাতেই।

এই নাও সান্তা, গিফট

পড়বে কি পড়বে না করতে করতে ক্রিসমাসের আগেই মাস্টারস্ট্রোকটা দিয়ে দিল শীত। বেশ জাঁকিয়ে কলকাতায় আপাতত বাসা বেঁধেছেন তিনি। শীতের কামড়ে জুবুথুবু শহর বিকেল হলেই ক্রিসমাসের আঁচে চাঙ্গা। বছর শেষের সপ্তাহটা ছুটিতে ভরপুর। তাই আম জনতার মেজাজটাও এখন বেশ খাসা। এই বাড়ি-সেই বাড়ি, ওই ক্লাব-সেই ক্লাবে এখন চলছে ক্রিসমাস আর নতুন বছরের পিকনিক, পার্টি প্ল্যানিং। তার সঙ্গেই নিশ্চয়ই মন চাইছে কিছু হঠাৎ উপহারে কাছের মানুষজনদের বছরের শুরুটাকে আরও রঙিন করে তুলতে। এই কলিযুগে তো সান্তাক্লজ তাঁর বল্গা হরিণে টানা উড়ুক্কু স্লেজে চেপে উপহারের ঝুলি নিয়ে মোটেও আসবেন না।