সেলুলয়েডের সাহসিনীরা

Mar 7, 2013, 05:30 PM IST
গডমাদার (১৯৯৯)পরিচালক-বিনয় শুক্লা। গ্রামের ডাকাবুকো মহিলা ডনের কাহিনি। সেরা অভিনেত্রীর জাতীয় পুরস্কার জিতে নেন শাবানা আজমি।
1/16

গডমাদার (১৯৯৯)
পরিচালক-বিনয় শুক্লা। গ্রামের ডাকাবুকো মহিলা ডনের কাহিনি।

সেরা অভিনেত্রীর জাতীয় পুরস্কার জিতে নেন শাবানা আজমি।

অস্তিত্ব (২০০০)পরিচালক-মহেশ মঞ্জরেকর। বিবাহিত নারীর স্বামীর পরিচয়ের বাইরে নিজের পরিচিতি তৈরি ও অস্তিত্ব রক্ষার লড়াইয়ের কাহিনি। ফিল্মফেয়ার পুরস্কার ছাড়াও দেশের প্রায় সবকটি সেরা অভিনেত্রীর পুরস্কার জেতেন টাবু।
2/16

অস্তিত্ব (২০০০)
পরিচালক-মহেশ মঞ্জরেকর। বিবাহিত নারীর স্বামীর পরিচয়ের বাইরে নিজের পরিচিতি তৈরি ও অস্তিত্ব রক্ষার লড়াইয়ের কাহিনি।

ফিল্মফেয়ার পুরস্কার ছাড়াও দেশের প্রায় সবকটি সেরা অভিনেত্রীর পুরস্কার জেতেন টাবু।

মাত্রুভূমি (২০০৩)পরিচালক-মনীশ ঝা। নারীশূন্য ভূমিতে একমাত্র নারীর প্রতি পাঁচ পুরুষের অধিকার কায়েমের চেষ্টা, গণধর্ষণ, শিশুকন্যার জন্ম এবং অবশেষে পিতৃত্বের অধিকারের লড়াইয়ে্ পরস্পরকে হত্যা। ভারতীয় চলচ্চিত্রের ইতিহাসে নারী বঞ্চনার অন্যতম চিত্রায়ন। নারীশূন্য পৃথিবীর ভয়াবহতাকে তুলে ধরে এই ছবি।ভেনিস চলচ্চিত্র উংসব সহ বহু আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উত্‍সবে সমাদৃত।
3/16

মাত্রুভূমি (২০০৩)
পরিচালক-মনীশ ঝা। নারীশূন্য ভূমিতে একমাত্র নারীর প্রতি পাঁচ পুরুষের অধিকার কায়েমের চেষ্টা, গণধর্ষণ, শিশুকন্যার জন্ম এবং অবশেষে পিতৃত্বের অধিকারের লড়াইয়ে্ পরস্পরকে হত্যা। ভারতীয় চলচ্চিত্রের ইতিহাসে নারী বঞ্চনার অন্যতম চিত্রায়ন। নারীশূন্য পৃথিবীর ভয়াবহতাকে তুলে ধরে এই ছবি।

ভেনিস চলচ্চিত্র উংসব সহ বহু আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উত্‍সবে সমাদৃত।

ডোর (২০০৬)পরিচালক-নাগেশ কুকনুর। একজনের স্বামীর হত্যাকারী অপরজনের স্বামী। একজন চান স্বামীর হত্যাকারীর শাস্তি, অন্যজন প্রাণপনে চান স্বামীকে নিরপরাধ প্রমাণ করতে। দুই মেরুতে দাঁড়িয়ে থাকা দুই নারীর ভাগ্য বাঁধা ছিল কোনও অদৃশ্য ডোরে। বিপদ ও অসহায়তার মাঝে দাঁড়িয়ে থাকা দুই নারীর বন্ধুত্ব ও দ্বন্দ্বের মর্মস্পর্শী কাহিনি ডোর।বক্সঅফিস পাত্তা না দিলেও প্রশংসা ও পুরস্কারে ভরিয়ে দিয়েছিলেন সমালোচকরা। দুই মুখ্য চরিত্রে নজর কেড়েছিলেন গুল পনাঙ্গ ও আয়েষা টাকিয়া।
4/16

ডোর (২০০৬)
পরিচালক-নাগেশ কুকনুর। একজনের স্বামীর হত্যাকারী অপরজনের স্বামী। একজন চান স্বামীর হত্যাকারীর শাস্তি, অন্যজন প্রাণপনে চান স্বামীকে নিরপরাধ প্রমাণ করতে। দুই মেরুতে দাঁড়িয়ে থাকা দুই নারীর ভাগ্য বাঁধা ছিল কোনও অদৃশ্য ডোরে। বিপদ ও অসহায়তার মাঝে দাঁড়িয়ে থাকা দুই নারীর বন্ধুত্ব ও দ্বন্দ্বের মর্মস্পর্শী কাহিনি ডোর।

বক্সঅফিস পাত্তা না দিলেও প্রশংসা ও পুরস্কারে ভরিয়ে দিয়েছিলেন সমালোচকরা। দুই মুখ্য চরিত্রে নজর কেড়েছিলেন গুল পনাঙ্গ ও আয়েষা টাকিয়া।

আঁধি (১৯৭৫)পরিচালক-গুলজার। প্রাক্তন স্বামীর প্রেমে আরও একবার পড়লেও নিজের রাজনৈতিক স্বার্থে  পুণরায় সংসার পাতার স্বপ্ন পরিত্যাগ করেন এক নারী। সুচিত্রা সেনের অভিনয় চিরস্মরণীয়।
5/16

আঁধি (১৯৭৫)
পরিচালক-গুলজার। প্রাক্তন স্বামীর প্রেমে আরও একবার পড়লেও নিজের রাজনৈতিক স্বার্থে পুণরায় সংসার পাতার স্বপ্ন
পরিত্যাগ করেন এক নারী।

সুচিত্রা সেনের অভিনয় চিরস্মরণীয়।

মান্ডি (১৯৮৩)পরিচালক-শাম বেনেগল। বারবনিতাদের অধিকার ও স্বীকৃতির দাবিতে লড়াই। শাবানা আজমি, স্মিতা পাতিল, নীনা গুপ্তা, শ্রীলা মজুমদারের অসাধারণ অভিনয় দেখিয়েছিল এই ছবি।
6/16

মান্ডি (১৯৮৩)
পরিচালক-শাম বেনেগল। বারবনিতাদের অধিকার ও স্বীকৃতির দাবিতে লড়াই। শাবানা আজমি, স্মিতা পাতিল, নীনা গুপ্তা, শ্রীলা মজুমদারের অসাধারণ অভিনয় দেখিয়েছিল এই ছবি।

মির্চ মশালা (১৯৮৭)পরিচালক-কেতন মেহতা। গ্রামের দোর্দণ্ডপ্রতাপ, কামুক, করসেবকের বিরুদ্ধে মহিলাদের সংঘবদ্ধ হয়ে লড়াইয়ে রুখে দাঁড়ানোর কাহিনি মির্চ মশালা। ভারতে সমালোচকদের প্রশংসা কুড়িয়ে মস্কো চলচ্চিত্র উত্সবেও উচ্চ প্রশংসিত হয় মির্চ মশালা। জীবনের অন্যতম সেরা অভিনয়ের স্বীকৃতি পান স্মিতা পাতিল।
7/16

মির্চ মশালা (১৯৮৭)
পরিচালক-কেতন মেহতা। গ্রামের দোর্দণ্ডপ্রতাপ, কামুক, করসেবকের বিরুদ্ধে মহিলাদের সংঘবদ্ধ হয়ে লড়াইয়ে রুখে দাঁড়ানোর কাহিনি মির্চ মশালা।

ভারতে সমালোচকদের প্রশংসা কুড়িয়ে মস্কো চলচ্চিত্র উত্সবেও উচ্চ প্রশংসিত হয় মির্চ মশালা। জীবনের অন্যতম সেরা অভিনয়ের স্বীকৃতি পান স্মিতা পাতিল।

সেলুলয়েডের সাহসিনীরাবিভিন্ন সময়ে ভারতের সংবেদনশীল পরিচালকদের ছবিতে বহু সাহসিনী নারীদের সঙ্গে পরিচয় হয়েছে আমাদের। যারা সকলেই আপন ভাগ্য জয় করিবার অধিকার ছিনিয়ে নিয়েছে। বিভিন্ন দশকে রুপোলি পর্দার এইসব নারীরাই দেশের মহিলাদের সাহস জুগিয়েছেন, স্বপ্ন দেখতে শিখিয়েছেন, হয়ে উঠেছেন নারীদের অনুপ্রেরণার জিয়নকাঠি। সমস্যা জর্জ্জরিত দেশে বলিউড যেখানে সমাজের আয়না, সেখানে এইসব নারীদের দেখেই কেউ কেউ ফেলেছেন স্বস্তির নিশ্বাস। আন্তর্জাতিক নারী দিবসে সেলুলয়েডের সেইসব নারীদের প্রতি আমাদের শ্রদ্ধার্ঘ।
8/16

সেলুলয়েডের সাহসিনীরা
বিভিন্ন সময়ে ভারতের সংবেদনশীল পরিচালকদের ছবিতে বহু সাহসিনী নারীদের সঙ্গে পরিচয় হয়েছে আমাদের। যারা সকলেই আপন ভাগ্য জয় করিবার অধিকার ছিনিয়ে নিয়েছে। বিভিন্ন দশকে রুপোলি পর্দার এইসব নারীরাই দেশের মহিলাদের সাহস জুগিয়েছেন, স্বপ্ন দেখতে শিখিয়েছেন, হয়ে উঠেছেন নারীদের অনুপ্রেরণার জিয়নকাঠি। সমস্যা জর্জ্জরিত দেশে বলিউড যেখানে সমাজের আয়না, সেখানে এইসব নারীদের দেখেই কেউ কেউ ফেলেছেন স্বস্তির নিশ্বাস। আন্তর্জাতিক নারী দিবসে সেলুলয়েডের সেইসব নারীদের প্রতি আমাদের শ্রদ্ধার্ঘ।

মাদার ইন্ডিয়া (১৯৫৭)পরিচালক-মেহবুব খান। ঋণের বোঝায় বাধ্য হয়ে বিয়ে, একা মায়ের সন্তানদের মানুষ করা, সন্তানের অকলামৃত্যু ও সন্তানদের ভবিষ্যতের স্বার্থে বিবাহের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান। ভারতীয় চলচ্চিত্রের ইতিহাসে প্রথম নারীকেন্দ্রিক ছবি। অস্কারে বিদেশি ছবির বিভাগে মনোনয়ন আদায় করে নেয় মাদার ইন্ডিয়া। সেরা অভিনেত্রীর ফিল্মফেয়ার পুরস্কার পান নার্গিস। প্রথম ভারতীয় অভিনেত্রী হিসেবে বিদেশি সম্মানও পান তিনি। চেক রিপাবলিকের বিশেষ সম্মানে ভূষিত হন নার্গিস।
9/16

মাদার ইন্ডিয়া (১৯৫৭)
পরিচালক-মেহবুব খান। ঋণের বোঝায় বাধ্য হয়ে বিয়ে, একা মায়ের সন্তানদের মানুষ করা, সন্তানের অকলামৃত্যু ও সন্তানদের ভবিষ্যতের স্বার্থে বিবাহের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান। ভারতীয় চলচ্চিত্রের ইতিহাসে প্রথম নারীকেন্দ্রিক ছবি।

অস্কারে বিদেশি ছবির বিভাগে মনোনয়ন আদায় করে নেয় মাদার ইন্ডিয়া। সেরা অভিনেত্রীর ফিল্মফেয়ার পুরস্কার পান নার্গিস। প্রথম ভারতীয় অভিনেত্রী হিসেবে বিদেশি সম্মানও পান তিনি। চেক রিপাবলিকের বিশেষ সম্মানে ভূষিত হন নার্গিস।

দামিনি (১৯৯৩)পরিচালক-রাজকুমার সন্তোষী। নিজের শ্বশুরবাড়িতেই দেওরের বন্ধুদের হাতে পরিচারিকার ধর্ষণ দেখে ফেলেছিল দামিনি। পরিবার থেকে ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা, দামিনিকে পাগল প্রতিপন্ন করার চেষ্টার বিরুদ্ধে লড়াই চালিয়ে যায় নির্ভয় দামিনি। হাসপাতালে ধর্ষিতার মৃত্যু হলেও আদালতে অভিযোগ প্রমাণ করতে সক্ষম হয় দামিনি। সেরা অভিনেত্রীর জাতীয় পুরস্কার জেতেন মীনাক্ষি শেসাদ্রি।
10/16

দামিনি (১৯৯৩)
পরিচালক-রাজকুমার সন্তোষী। নিজের শ্বশুরবাড়িতেই দেওরের বন্ধুদের হাতে পরিচারিকার ধর্ষণ দেখে ফেলেছিল দামিনি। পরিবার থেকে ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা, দামিনিকে পাগল প্রতিপন্ন করার চেষ্টার বিরুদ্ধে লড়াই চালিয়ে যায় নির্ভয় দামিনি। হাসপাতালে ধর্ষিতার মৃত্যু হলেও আদালতে অভিযোগ প্রমাণ করতে সক্ষম হয় দামিনি।

সেরা অভিনেত্রীর জাতীয় পুরস্কার জেতেন মীনাক্ষি শেসাদ্রি।

মাম্মো (১৯৯৪)পরিচালক-শাম বেনেগল। পাকিস্তানে স্বামীর মৃত্যুর পর শ্বশুরবাড়ি থেকে বিতারিত নারীর জন্মভূমিতে নিজের শিকড়ে ফেরার লড়াই। শেষপর্যন্ত মিথ্যা মৃত্যুর আশ্রয়ে নিজের প্রিয়জনদের সঙ্গে মিলিত হয় সে। ফরিদা জালালের জীবনের অন্যতম সেরা অভিনয় দর্শকদের উপহার দিয়েছিল মাম্মো।
11/16

মাম্মো (১৯৯৪)
পরিচালক-শাম বেনেগল। পাকিস্তানে স্বামীর মৃত্যুর পর শ্বশুরবাড়ি থেকে বিতারিত নারীর জন্মভূমিতে নিজের শিকড়ে ফেরার লড়াই। শেষপর্যন্ত মিথ্যা মৃত্যুর আশ্রয়ে নিজের প্রিয়জনদের সঙ্গে মিলিত হয় সে।

ফরিদা জালালের জীবনের অন্যতম সেরা অভিনয় দর্শকদের উপহার দিয়েছিল মাম্মো।

সর্দারি বেগম (১৯৯৬)পরিচালক-শাম বেনেগল। পরিবারের ইচ্ছার বিরুদ্ধে গিয়ে গান শিখেছিল এক নারী। পরিবার থেকে বিতারিত সেই নারীর মৃত্যু রহস্য থেকেই উঠে আসে তাঁর জীবন কাহিনি। জুরির বিচারে সেরা অভিনেত্রীর জাতীয় পুরস্কার পান কিরণ খের। সেরা সহঅভিনেত্রীর জাতীয় পুরস্কার পেয়েছিলেন রাজেশ্বরী সচদেভ।
12/16

সর্দারি বেগম (১৯৯৬)
পরিচালক-শাম বেনেগল। পরিবারের ইচ্ছার বিরুদ্ধে গিয়ে গান শিখেছিল এক নারী। পরিবার থেকে বিতারিত সেই নারীর মৃত্যু রহস্য থেকেই উঠে আসে তাঁর জীবন কাহিনি।

জুরির বিচারে সেরা অভিনেত্রীর জাতীয় পুরস্কার পান কিরণ খের। সেরা সহঅভিনেত্রীর জাতীয় পুরস্কার পেয়েছিলেন রাজেশ্বরী সচদেভ।

মৃত্যুদণ্ড (১৯৯৭)পরিচালক-প্রকাশ ঝা। গ্রামে মহিলাদের ওপর পারিবারিক নিগ্রহ, ক্ষমতাহীনের ওপর ক্ষমতাশালীর অত্যাচারের প্রতিবাদ, দুই মহিলার পরস্পরের মধ্যে সাহস ও খুঁটি খোঁজার কাহিনি। অভিনয়ে নজর কাড়েন শাবানা আজমি ও মাধুরী দীক্ষিত। সমালোচকদের দ্বারা উচ্চপ্রশংসিত হয় মৃত্যুদণ্ড।
13/16

মৃত্যুদণ্ড (১৯৯৭)
পরিচালক-প্রকাশ ঝা। গ্রামে মহিলাদের ওপর পারিবারিক নিগ্রহ, ক্ষমতাহীনের ওপর ক্ষমতাশালীর অত্যাচারের প্রতিবাদ, দুই মহিলার পরস্পরের মধ্যে সাহস ও খুঁটি খোঁজার কাহিনি।

অভিনয়ে নজর কাড়েন শাবানা আজমি ও মাধুরী দীক্ষিত। সমালোচকদের দ্বারা উচ্চপ্রশংসিত হয় মৃত্যুদণ্ড।

কর্পোরেট (২০০৬)পরিচালক-মধুর ভান্ডারকর। শিক্ষিত, যোগ্য, উচ্চাকাঙ্ক্ষী নারীর পুরুষশাসিত সমাজে ক্ষমতায় উত্থান ও পুরুষের অঙ্গুলিহেলনের পরও লড়াই চালিয়ে যাওয়ার কাহিনি।সেরা অভিনেত্রীর পুরস্কার না জুটলেও শানিত অভিনয়ে সমালোচকদের প্রশংসা আদায় করে নিয়েছিলেন বিপাশা বসু।
14/16

কর্পোরেট (২০০৬)
পরিচালক-মধুর ভান্ডারকর। শিক্ষিত, যোগ্য, উচ্চাকাঙ্ক্ষী নারীর পুরুষশাসিত সমাজে ক্ষমতায় উত্থান ও পুরুষের অঙ্গুলিহেলনের পরও লড়াই চালিয়ে যাওয়ার কাহিনি।

সেরা অভিনেত্রীর পুরস্কার না জুটলেও শানিত অভিনয়ে সমালোচকদের প্রশংসা আদায় করে নিয়েছিলেন বিপাশা বসু।

চক দে ইন্ডিয়া (২০০৭)পরিচালক-সিমিত আমিন। প্রত্যেকে জাতীয় দলের খেলোয়াড় হয়েও শুধু মহিলা হওয়ার কারণে বিদেশে খেলতে যাওয়ার অনুমতি না পাওয়া, ছেলেদের সঙ্গে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে চলা এক দল লড়াকু মেয়ের স্বপ্নপূরণের কাহিনি। ৫টি ফিল্মফেয়ার পুরস্কার ছাড়াও আরও বহু পুরস্কার এসেছিল চক দে-র ঝুলিতে। তবে চক দে ইন্ডিয়ার সবথেকে বড় সাফল্য বোধহয় ভারতের হকিপ্রেমী একগুচ্ছ প্রতিভাময়ীকে স্বপ্ন দেখার সাহস জোগানো।
15/16

চক দে ইন্ডিয়া (২০০৭)
পরিচালক-সিমিত আমিন। প্রত্যেকে জাতীয় দলের খেলোয়াড় হয়েও শুধু মহিলা হওয়ার কারণে বিদেশে খেলতে যাওয়ার অনুমতি না পাওয়া, ছেলেদের সঙ্গে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে চলা এক দল লড়াকু মেয়ের স্বপ্নপূরণের কাহিনি।

৫টি ফিল্মফেয়ার পুরস্কার ছাড়াও আরও বহু পুরস্কার এসেছিল চক দে-র ঝুলিতে। তবে চক দে ইন্ডিয়ার সবথেকে বড় সাফল্য বোধহয় ভারতের হকিপ্রেমী একগুচ্ছ প্রতিভাময়ীকে স্বপ্ন দেখার সাহস জোগানো।

কাহানি (২০১২)পরিচালক-সুজয় ঘোষ। স্বামীর হত্যাকারীকে খুঁজে বের করতে কলকাতায় আসে ছবির মুখ্য চরিত্র বিদ্যা। নিজের বুদ্ধিমত্তা ও অসহায়তার অভিনয়ের মাধ্যমে মিথ্যা রহস্যের জাল বোনে বিদ্যা। ছবির শেষে কাহিনির জট খুললেও রহস্যেই থেকে যায় রহস্যময়ী নারী। বিদ্যার চরিত্রে অভিনয়ের জন্য ফিল্মফেয়ার সেরা অভিনেত্রীর পুরস্কার জিতে নেন বিদ্যা বালন।
16/16

কাহানি (২০১২)
পরিচালক-সুজয় ঘোষ। স্বামীর হত্যাকারীকে খুঁজে বের করতে কলকাতায় আসে ছবির মুখ্য চরিত্র বিদ্যা। নিজের বুদ্ধিমত্তা ও অসহায়তার অভিনয়ের মাধ্যমে মিথ্যা রহস্যের জাল বোনে বিদ্যা। ছবির শেষে কাহিনির জট খুললেও রহস্যেই থেকে যায় রহস্যময়ী নারী।

বিদ্যার চরিত্রে অভিনয়ের জন্য ফিল্মফেয়ার সেরা অভিনেত্রীর পুরস্কার জিতে নেন বিদ্যা বালন।