মোহনবাগানকে ফের বলার সুযোগ ফেডারেশনের

Update: January 6, 2013 22:26 IST

আগামী ১৫ জানুযারী ফেডারেশনের কর্মসমিতির বৈঠকে মোহনবাগানকে ডাকছে সর্বভারতীয় ফুটবল সংস্থা। নিজেদের শাস্তি পুনর্বিবেচনা করার জন্য ফেডারেশনের ১৫ জানুযারী ফেডারেশনের কর্মসমিতির বৈঠকে মোহনবাগানকে ডাকছে সর্বভারতীয় ফুটবল সংস্থা। নিজেদের শাস্তি পুনর্বিবেচনা করার জন্য ফেডারেশনের কর্মসমিতিতে আবেদন করেছে সবুজ-মেরুন কর্তারা। মোহনবাগানের শাস্তির পুনর্বিবেচনা করার জন্য ১৫ তারিখ বৈঠকে বসবে ফেডারেশনের সর্বোচ্চ কমিটি। সেখানে বলার সুযোগ দেওয়া হবে মোহনবাগান কর্তাদের। আইনজ্ঞদের সঙ্গে কথা বলে বৈঠকে মোহনবাগানকে ডাকার সিদ্ধান্ত নেন ফেডারেশনের শীর্ষকর্তারা।

এদিকে, ডার্বি বিতর্কে ওডাফাকে শোকজ করেছে ফেডারেশন। কয়েকদিন আগে প্রয়াগ-ইস্টবেঙ্গল ম্যাচের পর  মারামারি করার জন্য দুই ম্যাচ নির্বাসিত হয়েছিলেন দুই ফুটবলার ওপারা আর বেলো। ভিডিও ফুটেজ থেকে এই শাস্তি দিয়েছিল ফেডারেশন। তাদের কোনও শোকজ করা হয়নি। তাই প্রশ্ন উঠছে বিতর্কিত ডার্বি ম্যাচে লালকার্ড দেখার জন্য কেন শোকজ করা হল নাইজেরীয় গোলমেশিনকে।

ফেডারেশন সচিব কুশল দাস দিল্লি থেকে জানাচ্ছেন,বিচারপতি অশোক কুমার গাঙ্গুলির সুপারিশ মেনেই শোকজ করা হয়েছে ওডাফাকে। নিজের উত্তর দেওয়ার জন্য ডার্বি ম্যাচের কমিশনার আর রেফারির রিপোর্ট চেয়েছিলেন ওডাফা। কিন্তু ফেডারেশন সম্ভবত তা দিচ্ছে না তাঁকে। কেননা কয়েকদিন আগে শোকজ হওযার পর ম্যাচ কমিশনার আর রেফারির রিপোর্ট চেয়েছিলেন ডেম্পো কোচ আর্মান্দো। ডেম্পো কোচকে তা দেয়নি ফেডারেশন। ওডাফার ক্ষেত্রেও একই পথে হাঁটতে চাইছে এআইএফএফ।







Post Your Comment

Total Comments:0
blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।