ড্র দিয়ে শুরু করলেন আনন্দ

Update: May 11, 2012 22:07 IST

মস্কোয় বিশ্ব দাবার খেতাবি লড়াইয়ে বিশ্বনাথন আনন্দ এবং বরিস গেলফাঁর প্রথম গেম ড্র হল। চব্বিশ চালের পর গেলফাঁ ড্রয়ের প্রস্তাব দিলে আনন্দ তা গ্রহণ করে নেন। সাদা ঘুঁটি নিয়ে খেলা শুরু করেছিলেন আনন্দ। খেলার একটা সময় গেলফাঁই খানিকটা সুবিধাজনক অবস্থায় চলে গিয়েছিলেন। কিন্তু সময়ের চাপে পড়ে যান তিনি। খানিকটা বাধ্য হয়েই ড্রয়ের প্রস্তাব দিতে হয় গেলফাঁকে।

বারো গেমের এই ম্যাচে খাতায় কলমে ফেভারিট চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন আনন্দ। রেটিংয়ে ৭০ পয়েন্ট পিছিয়ে থাকা গেলফাঁ ক্লাসিকাল চেসে সাম্প্রতিককালে আনন্দকে হারাতে পারেননি। 

Post Your Comment

Total Comments:0
blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।