ধ্যানচাঁদ, সচিনের পাশে এবার আনন্দ

Update: May 31, 2012 23:35 IST

বিশ্বনাথন আনন্দকে ভারতরত্ন দেওয়ার পক্ষে সওয়াল করলেন ক্রীড়ামন্ত্রী অজয় মাকেন। মস্কোতে বিশ্বচ্যাম্পিয়ন হওয়ায় তাঁকে দশ লক্ষ টাকা পুরস্কার দেওয়ার কথাও ঘোষণা করেন মাকেন।

বৃহস্পতিবার মস্কোয় প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমীর পুতিনের সঙ্গে দেখা করলেন বিশ্বনাথন আনন্দ এবং রানার্স আপ বরিস গেলফাঁ। দুজনেরই প্রাণ খুলে প্রশংসা করেছেন পুতিন। এদিন চাচক্রে আনন্দকে সম্মানিত করেন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট। বুধবার মস্কোয় ইজরায়েলি প্রতিপক্ষ গেলফাঁকে হারিয়ে পাঁচবারের জন্য বিশ্বদাবার খেতাব জেতেন আনন্দ। ২০০০ সালে অ্যালেক্সি শিরভকে হারিয়ে প্রথম বার বিশ্বদাবার খেতাব জেতেন আনন্দ। ২০০৭ এবং ২০০৮ সালে খেতাব আসে ভ্লাদিমির ক্রামনিককে হারিয়ে। ২০১০ সালে চতুর্থ বারের জন্য চ্যাম্পিয়ন হন ভেসেলিন টোপালভকে হারিয়ে।
এর আগে ভারতরত্নের দাবিদার হিসেবে উঠে এসেছিল ধ্যানচাঁদ ও সচিন তেন্ডুলকরের নাম। এবার বিশ্বনাথন আনন্দের নাম যুক্ত হল সেই তালিকায়।








Post Your Comment

Total Comments:0
blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।