লক্ষ্মীর দুরন্ত বোলিংয়ে রুদ্ধশ্বাস জয় বাংলার

Update: February 14, 2013 21:37 IST

বাংলা-- ১৮৬। ওড়িশা-- ১৭৫
মাত্র ১৮৬ রানে অলআউট হয়ে গিয়েও রঞ্জি ট্রফি একদিনের টুর্নামেন্টে দারুণ জয় পেল বাংলা। সৌজন্যে অশোক দিন্দা, আর লক্ষ্ণীরতন শুক্লর দুরন্ত বোলিং। বিজয় হাজারে ট্রফির পূর্বাঞ্চলের ম্যাচে বাংলা ১১ রানে হারিয়ে দিল শক্তিশালী ওড়িশাকে। রুদ্ধশ্বাসপূর্ণ এই ম্যাচে বাংলার জয়ের মুখ্য কারিগর হলেন লক্ষ্মীরতন শুক্লা ও অশোক দিন্দা।

এদিন টসে জিতে ওড়িশা প্রথম ব্যাট করতে পাঠায় বাংলাকে। বাংলা ৪৬.১ ওভারে মাত্র একশো ছিয়াশি রানে অলআউট হয়ে যায়। মনোজ তেওয়ারি পঞ্চান্ন ও ঋদ্ধিমান সাহা ৩৬ রান করেন। ওড়িশার পক্ষে বি মোহান্তি চার উইকেট পয়েছেন। জবাবে ব্যাট করতে নেমে দুই রানে দুই উইকেট হারিয়ে শুরুতে চাপে পড়ে যায় ওড়িশা। কিন্তু এরপর নটরাজ বহেরা, জিবি পোদ্দার ও বিপ্লব সামন্তরায় দলকে লড়াইয়ে ফেরান। ঠিক এইসময় লক্ষ্মীরতন শুক্লা ও দিন্দার দুরন্ত স্পেল ম্যাচে ফেরায় বাংলাকে। শুক্লা ও দিন্দার দাপটে ১৭৫ রানে অলআউট হয়ে যায়। লক্ষ্মী পাঁচ ও দিন্দা চার উইকেট পেয়েছেন।

Post Your Comment

Total Comments:1

Batting still not satisfactory.

blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।