ভাল দিনটা দারুণ গেল না বাংলার

Update: November 17, 2012 19:29 IST

গুজরাট: ২৩০/৬
রঞ্জি ট্রফির ম্যাচের প্রথম দিনে গুজরাটকে বাগে পেয়েও শেষদিকে চাপ ধরে রাখতে পারল না বাংলা। একসময় সৌরভ সরকারের দুরন্ত বোলিংয়ের সৌজন্যে মাত্র ১৬৪ রানের মধ্যে ছয় উইকেট হারায় গুজরাট। কিন্তু সপ্তম উইকেটের জুটিতে জুনেজা ও ধ্রুবের লড়াকু ব্যাটিং গুজরাটকে লড়াই ফেরায়। জুনেজা ৪১, ধ্রুব ৩৮ রানে অপরাজিত আছেন। প্রথম দিনের শেষে গুজরাট ৬ উইকেটে ২৩০ রান তুলেছে। ধ্রুব ও জুনেজা ছাড়া গুজরাটের পক্ষে পার্থিব প্যাটেল ৬১ ও স্মিত প্যাটেল ৬৭ রান করেন।  সৌরভ সরকার তিন উইকেট পেয়েছেন। দিন্দা, সামি, ইরেশ একটি করে উইকেট পেয়েছেন।

এদিন টসে জিতে ফিল্ডিংয়ের সিদ্ধান্ত নেওয়ার পর শুরুটা দারুণ করেছিলেন বাংলার পেসার সৌরভ সরকার। শুরুর এক ঘন্টার মধ্যেই সৌরভ দুই উইকেট নিয়ে চাপের খেলা শুরু করেন। এরপর পার্থিব প্যাটেল প্রতিরোধ গড়েন। সেই প্রতিরোধ ভাঙেন ইরেশ সাক্সেনা। এরপর বেনুগোপাল রাও, সমিত প্যাটেল, রজত ভাটিয়ার উইকেট খুইয়ে ফের চাপে পড়ে যায় গুজরাট। তখন গুরজরাটের স্কোর ৬ উইকেটে ১৬৪। শেষবেলায় জুনেজা ও ধ্রুবের পার্টনারশিপ বাংলার কাছে ভাল দিনটা দারুণ হতে দিল না।

বাংলা শিবিরের আশা গুজরাটের ২৭৫ রানের মধ্যে বেধে ফেললে প্রথম ইনিংসে লিড পেতে কোনও বেগ পেতে হবে না। গুজরাট শিবির আবার খারাপ জায়গা থেকে ঘুরে দাঁড়িয়ে ৩৫০ রানের আশা করছে।






Post Your Comment

Total Comments:0
blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।