জাতীয় প্যারাঅ্যাথলিট মিটে বাংলার জয়জয়কার

Update: March 16, 2013 09:48 IST

জাতীয় প্যারা জাতীয় প্যারা অ্যাথলিট মিটে বাংলার জয়জয়কার। ব্যাঙ্গালোরের কান্তিরাভা স্টেডিয়ামে গত ১২ থেকে ১৪ মার্চ অবধি চলা এই মিটে বাংলা থেকে মোট ১৩ জন অংশগ্রহণ করেছিলেন। এই ১৩জন চ্যাম্পিয়ন অ্যাথলিটের মধ্যে সাতজন দখল করেছেন মোট ১৩টি পদক। তাঁদের সংগ্রহ নটি সোনা, একটি রুপো ও তিনটি ব্রোঞ্জ পদক।

কিন্তু জাতীয় স্তরে চোখধাঁধানো সাফল্যের পরেও বিন্দুমাত্র বদলায়নি এই ১৩ প্যারা অ্যাথলিটদের সামগ্রিক অবস্থা। সামাজিক ও অর্থনৈতিক ও পরিকাঠামোগত যে চূড়ান্ত অবহেলাকে সঙ্গে করে এই ১৩জন ব্যাঙ্গালোরে গিয়েছিলেন, ১৩টি পদক নিয়ে ফিরে আসার পরেও হাওড়া স্টেশনে এঁদের ভাগ্যে জুটল চূড়ান্ত অনাড়ম্বর সম্বর্ধনা। বাংলার যথার্থ গর্ব এই ১৩ জনের দিকে ফিরেও তাকালেন না পথ চলতি কোনও মানুষ।

এবারের জাতীয় প্যারা অ্যাথলিট মিটে বাংলার হয়ে পদক পেলেন যাঁরা

সাহেব হুসেন- ৩টি সোনা (২০০মিটার, ৪০০ মিটার, ৮০০ মিটার)
রুবিয়া চ্যাটার্জি- ২টি সোনা (জ্যাভলিন ও শট পাট)
শম্পা মণ্ডল- ৩টি সোনা (১০০মিটার, ২০০মিটার ও লং জাম্প)
মিনা সাহা- ১টি সোনা ( জ্যাভলিন)
উজ্জ্বল ঘোষ- ১টি রুপো (লং জাম্প)
সাইদা খাতুন- ১টি ব্রোঞ্জ (জ্যাভলিন)
বন্দনা বিশ্বাস - ১টি ব্রোঞ্জ (জ্যাভলিন)




Post Your Comment

Total Comments:0
blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।