ডেভিস কাপ থেকে বাদ ভূপতি, বোপান্না

Update: August 18, 2012 16:57 IST

অলিম্পিকে হতাশাজনক পারফর্ম্যান্সের জন্য ডেভিস কাপের জাতীয় দল থেকে বাদ দেওয়া হল মহেশ ভূপতি এবং রোহন বোপান্না। নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে এশিয়া/ অসিয়ানিয়া জোনের গ্রুপ ১ এর দল গঠনের জন্য শনিবার বৈঠকে বসেন অল ইন্ডিয়া টেনিস অ্যাসোসিয়েশনের নির্বাচকমণ্ডলী। বৈঠকেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

যদিও, ইউএস ওপেনে প্রস্তুতির জন্য ডেভিস কাপ থেকে স্বেচ্ছায় সরে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত নেয়েছেন লিয়েন্ডার পেজ। অলিম্পিকে দল গঠনের আগে মহেশ ভূপতি এবং রোহন বোপান্নার আচরণে ক্ষুব্ধ এআইটিএ কার্যত তাঁদের শাস্তিমূলক পদক্ষেপ হিসেবেই বাদ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বলে মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল।

অলিম্পিকে দল গঠনের সময় পুরুষদের ডাবল্‌সে লিয়েন্ডার পেজের সঙ্গে মহেশ ভূপতিকে নির্বাচন করা হয়। ব্যক্তিগত কারণ দেখিয়ে লিয়েন্ডারের সঙ্গে খেলতে সরাসরি অস্বীকার করেন মহেশ ভূপতি। এর পর বোপান্নাকে ডাবল্‌সে নির্বাচন করা হলে তিনিও লিয়েন্ডারের সঙ্গে জুটি বাঁধতে অস্বীকার করেন। তাঁর বক্তব্য ছিল দীর্ঘদিন একসঙ্গে খেলায় ভূপতির সঙ্গে মাঠে তাঁর বোঝাপড়া বেশি ভাল। বেশ কিছুদিন ক্রমাগত জল ঘোলা হওয়ার পর অবশেষে ভূপতি-বোপান্নার জেদের কাছে নতি স্বীকার করতে হয় বাধ্য ভারতের টেনিস অ্যাসোসিয়েশন। অলিম্পিকে ভূপতির সঙ্গেই জুটি বাঁধেন বোপান্না। পেজকে খেলতে হয় বিষ্ণু বর্ধনের সঙ্গে। এর পর অলিম্পিকে অত্যন্ত হতাশাজনক ফল নিয়ে দেশে ফেরার পর ডেভিস কাপের দল নির্বাচনেই নির্বাচকদের কোপের মুখে পড়লেন ভূপতি, বোপান্না।

সেপ্টেম্বরের ১৪ তারিখ নিউজিল্যান্ডের মূখোমুখি হবে ভারত। চোটের কারণে দলে থাকছেন না সোমদেব দেব বর্মণও।

Post Your Comment

Total Comments:0
blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।