২০০তেও সোনা, সর্বকালের সেরা উসেইন বোল্ট

Update: August 10, 2012 09:37 IST

লন্ডনের ট্র্যাকে নতুন ইতিহাস গড়লেন উসেন বোল্ট। ১০০ মিটারের মতো পরপর দুটি অলিম্পিকে ২০০ মিটারেও সোনা জিতলেন তিনি। বোল্টের এই বিরল কৃতিত্বের সঙ্গেই পুরুষদের ২০০ মিটারের ৩ টি পদকই গিয়ে পড়ল জামাইকার ঝুলিতে। দ্বিতীয় ও তৃতীয় স্থানে দৌড় শেষ করেন জামাইকারই অন্য দুই স্পিডস্টার ইয়োহান ব্লেক এবং ওয়ারেন ওয়্যার।

পর পর দুটি অলিম্পিকে জোড়া সোনা। একশো মিটারের পর দুশো মিটারেও। অলিম্পিকের ইতিহাসে এই অধরা স্বপ্নকেই সত্যি করলেন উসেন বোল্ট। বৃহস্পতিবার লন্ডনের ট্র্যাকে পুরুষদের ২০০ মিটারে সোনা জিতে সেই নজিরবিহীন রেকর্ড গড়লেন জামাইকান স্পিডস্টার। ২০০ মিটারের পথ পেরোতে মাত্র ১৯.৩২ সেকেন্ড সময় নেন বিশ্বের দ্রুততম মানুষ। বৃহস্পতিবার দৌড়ে জামাইকানদের দাপট দেখল অলিম্পিক স্টেডিয়াম। ১৯.৪৪ সেকেন্ডে দৌড় শেষ করে রূপো জেতেন বোল্টেরই সতীর্থ ইয়োহান ব্লেক। আর ১৯.৮৪ সেকেন্ড সময় নিয়ে ব্রোঞ্জ পদক পান আর এক জামাইকান ওয়ারেন ওয়্যার।
 
পরপর দুটি অলিম্পিকে ১০০ মিটারে সোনা জিতে আগেই কার্ল লুইসের রেকর্ড স্পর্শ করেছিলেন বোল্ট। ১৯৮৪ অলিম্পিকে দুই ইভেন্টেই সোনা জিতেছিলেন কার্ল লুইস। ১৯৮৮তে ১০০ মিটারে সোনা এলেও ২০০ মিটারে আটকে গিয়েছিলেন মার্কিন ওই কিংবদন্তী অ্যাথলিট। অবশেষে লুইসের সেই অধরা রেকর্ড এবারে করে দেখালেন বোল্ট। দৌড়ের ট্র্যাকে বিদ্যুত ঝলক দেখিয়ে আগেই ইতিহাসে নিজের জায়গা করে নিয়েছিলেন তিনি। এবারে জোড়া সোনাজয়ের জোড়া সাফল্যে তাঁর নামটা উজ্জ্বলতম হিসেবে খোদাই হয়ে থাকল অলিম্পিকের ইতিহাসে।
 







Post Your Comment

Total Comments:0
blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।