টেনিসের বিতর্কিত জুটিই এবার ভাঙনের মুখে

Update: October 4, 2012 21:52 IST

অলিম্পিকে টেনিসের দল গঠন নিয়ে বিতর্কের ঝড় বয়ে গিয়েছিল। যার রেশ এখনও চলছে। আর যে জুটিকে নিয়ে সমস্যার সূত্রপাত,সেই রোহন বোপান্না-মহেশ ভূপতি জুটিই এবার ভাঙার মুখে। নিজের কেরিয়ারের কথা মাথায় রেখে,মহেশের সঙ্গে জুটি ভেঙে আবার আইসাম কুরেশির সঙ্গে জুটি বাঁধার চেষ্টা করেছিলেন বোপান্না। ইচ্ছে ছিল,আবার ইন্দো-পাক এক্সপ্রেসকে চালু করা। কিন্তু বোপান্নার ইচ্ছাপূরণ হল না। বন্ধু কুরেশি সাফ না করে দিয়েছেন,নতুন করে জুটি তৈরির ব্যপারে। বোপান্নার আবেদনের সাড়া না দিয়ে আইসাম জানিয়েছেন, তিনি তাঁর নতুন পার্টনার জুলিয়েন রজারের সঙ্গে জুটি বেঁধে সাফল্য পাচ্ছেন।তাই তিনি বোপান্নার সঙ্গে জুটি বাঁধতে চান না।
এ দিকে, ভারতীয় টেনিসে জোরদার বিতর্কের রেশ যে সানিয়ার জীবনে পড়েনি,তার প্রমাণ পাওয়া গেল চায়না ওপেনে। নতুন পার্টনার নুরিয়াকে সঙ্গী করে টুর্নামেন্টের সেমিফাইনালে পৌঁছে গেলেন সানিয়া মির্জা। কোয়ার্টার ফাইনালে জুলিয়া জর্জেস-বারবোরা জুটিকে ৪-৬,৬-৪,১৬-১৪ ফলে হারিয়ে শেষ চারে পৌঁছল সানিয়া-নুরিয়া জুটি। অন্যদিকে একই টুর্নামেন্টে মহেশ ভূপতি-রোহন বোপান্না জুটি পৌঁছে গেল কোয়ার্টার ফাইনালে। কিন্তু এই জুটির আর অস্তিত্ব কতদিন,তা নিয়ে সন্দেহ রয়েছে। অন্যদিকে জাপান ওপেনে লিয়েন্ডার পেজ-স্টেপানেক জুটি পৌঁছে গেল দ্বিতীয় রাউন্ডে।পোলাসেক-নোল জুটিকে ৬-৪,৬-৪ ফলে হারিয়ে দ্বিতীয় রাউন্ডে পৌঁছল এই জুটি।
 

Post Your Comment

Total Comments:0
blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।