ব্রাজিল ম্যাচ নিয়ে তৈরি হল ধোঁয়াশা

Update: November 27, 2012 22:06 IST

ব্রাজিল ম্যাচ নিয়ে ধোঁয়াশা তৈরি হল ফেডারেশনের পাঠানো চিঠিতে। ২২ নভেম্বর ব্রাজিল ম্যাচের উদ্যোক্তাদের পাঠানো চিঠিতে ফেডারেশন জানিয়েছে,এই ম্যাচ আয়োজন করার জন্য ব্রাজিল ফুটবল ফেডারেশন আর লাতিন আমেরিকান ফুটবল ফেডারেশনের সম্মতি লাগবে। সেই সম্মতি আসার পর সর্বভারতীয় ফুটবল ফেডারেশন এএফসি আর ফিফার কাছে এই ম্যাচের ছাড়পত্রের জন্য আবেদন করবে। সব সম্মতি আসার পরই ফেডারেশন ম্যাচের ব্যাপারে সবুজ সংকেত দেবে।
 
ফেডারেশনের পাঠানো চিঠিতে উদ্যোক্তাদের সম্পর্কেও বিস্তারিত জানতে চাওয়া হয়েছে। ২২ নভেম্বর ফেডারেশনের চিঠি পাওয়ার পর উদ্যোক্তারা এখনও কোনও উত্তর দেননি। ৮ ডিসেম্বর যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গনে এই ম্যাচ হওযার কথা। প্রসঙ্গত, আগামী ৮ ডিসেম্বর যুবভারতীতে ব্রাজিল মাস্টার্সের হয়ে খেলতে নামবেন রবার্তো কার্লোস , দুঙ্গা এবং বেবেতোর মতো এক ঝাঁক প্রাক্তন বিশ্বকাপার এমনই খবর প্রকাশিত হয়। এই দলের অন্যরা হলেন - জিনহো , এডমিলসন , ভায়োলা , মাওরো সিলভা , জুনিনহো , সিজার , জেট্টি এবং আলদেয়ার৷ ৭ ডিসেম্বর তারকারা কলকাতায় আসার কথা ছিল৷ বিপক্ষে অল স্টার দলের হয়ে খেলবেন কলম্বিয়ার দুই প্রাক্তন তারকা ফুটবলার কার্লোস ভালদেরামা এবং রেনে হিগুয়েতা৷ সঙ্গে ব্যারেটো , ভাইচুং , দীপেন্দুর মতো ভারতীয় ফুটবলে পরিচিত মুখ৷

Post Your Comment

Total Comments:0
blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।