চ্যাম্পিয়ন কেকেআর

Update: May 28, 2012 00:13 IST

আইপিএল ট্রফি জিতল কেকেআর। রুদ্ধশ্বাস ফাইনালে চেন্নাই সুপার কিংসকে পাঁচ উইকেটে হারিয়ে আইপিএল চ্যাম্পিয়ন হল তারা। চেন্নাইএর ১৯১ রান তাড়া করতে নেমে প্রথম ওভারেই ফিরলেন কেকেআর অধিনায়ক গম্ভীরকে। মাত্র তিন রানেই কেকেআর ইনিংসের প্রথম উইকেটটি তুলে নিলেন হিলফেনহাউস। কিন্তু বিসলা আর কালিসের অনবদ্য পার্টনারশিপ নাইটদের প্রথম আইপিএল খেতাব এনে দেয়। বিসলা ৮৯ রানে আউট হন। কালিসের ব্যক্তিগত রান ৬৯। দু`বল বাকি থাকতেই মনোজ তিওয়াড়ির বাউন্ডারিতে জয় নিশ্চিত হয়।

এদিন টসেও জেতেন চেন্নাই সুপার কিংসের অধিনায়ক মহেন্দ্র সিং ধোনি। মুরলি বিজয় এবং মাইকেল হাসি ওপেনিং জুটিতে ৮৭ রান তুলে শক্ত ভীতের উপর দাঁড় করিয়ে দেয় চেন্নাইকে। বিজয় ৪২ রানে আউট হন। এরপর সুরেশ রায়নার ঝোড়ো ব্যাটিং বেকায়দায় ফেলে দেয় কেকেআরকে। মাইকেল হাসি ৫৪ রানে ও ইনিংসের শেষ বলে রায়না ৭৩ রানে আউট হন। চেন্নাই ২০ ওভারে ৩ উইকেটে ১৯০ রান তোলে।





Post Your Comment

Total Comments:7

Eest or west KKR is the best....

PLS REDUSE THE AREA OF THE HOME PAGE BECOZ FROM MOBILE IT IS DIFICULT TO SEE.

Amadr swapno holo sotti.

Amadr swapno holo sotti.

Congratulations KKR..korechi lorechi & obviously jitechi..

Congratulations KKR..korechi lorechi & obviously jitechi..

Congratulations KKR..korechi lorechi & obviously jitechi..

blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।