সুভাষিত আক্রমণে ম্লান লালহলুদ মশাল

Last Updated: Saturday, January 19, 2013 - 22:41

বিদেশি ট্রেভর জেমস মরগ্যান আর স্বদেশি সুভাষ ভৌমিকের ট্যাক্টিক্যাল লড়াইয়ে জিতলেন চার্চিল কোচই। এর সঙ্গেই আই লিগ জয়ের আশা কার্যত শেষ হয়ে গেল ইস্টবেঙ্গলের। শনিবার যুবভারতীতে চার্চিল ব্রাদার্সের কাছে পরিস্কার ৩-০ গোলে হেরে গেল মরগ্যানের দল। ম্যাচে জোড়া গোল করেন চার্চিলের হেনরি। অন্য গোলটি আক্রমের।
এদিন ম্যাচের প্রথম থেকেই ইস্টবেঙ্গলকে চাপে রেখেছিলেন সুভাষ ভৌমিকের ছেলেরা। ম্যাচের ৩৪ মিনিটে গোলের মুখ খোলেন হেনরি। তারপর প্রথমার্ধ শেষ হওয়ার কিছুক্ষণ আগে দ্বিতীয় গোলটি করেন তিনি। প্রথমার্ধের মতো দ্বিতীয়ার্ধেও ছন্দে পাওয়া যায়নি ইস্টবেঙ্গল দলকে। চার্চিলের গোলে বেশ কয়েকটি আক্রমণ চালালেও গোল করতে ব্যর্থ হয়েছেন রবিন সিংরা। ম্যাচের বিরাশি মিনিটে তৃতীয় গোল করে ইস্টবেঙ্গলের কফিনে শেষ পেরেকটি পোঁতেন আক্রম। পনেরো ম্যাচ থেকে চার্চিলের পয়েন্ট ৩৭। আই লিগে শীর্ষ স্থান আরও পোক্ত করে ফেললেন বেটোরা।
ইস্টবেঙ্গলকে হারানোর চেয়েও বড় উপহার যে তাঁর জন্য অপেক্ষা করছিল,তা কে জানত! ম্যাচ জিতে যখন ফিরলেন,ঠিক তখনই সুভাষ ভৌমিকের ফোন বেজে উঠল । ফুটবলারজীবনের গুরু পিকে বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়ির ল্যন্ডফোন নম্বর! নিজেই শিষ্য সুভাষকে ফোন করে শুভেচ্ছা জানালেন গুরু পিকে ব্যানার্জি। কথা হল মিনিট তিনেক। তার আগে ম্যাচ শেষে সুভাষ ভৌমিকের স্বীকারোক্তি,ইস্টবেঙ্গল ম্যাচ জয় তাঁর কাছে খুবই তাত্পর্যপূর্ণ।
অনেকটাই এগিয়ে গিয়েছেন আইলিগের টেবিলে। তবুও নিজেকে বদলে ফেলা সুভাষ ম্যাচ জয়ের পর অদ্ভূত শান্ত। লিগ খেতাব হাতের মুঠোয় বলে মানতে নারাজ। সুভাষের অধিনায়ক বেটো কিন্তু খেতাবের গন্ধ পেতে শুরু করে দিয়েছেন।
ম্যাচ শেষে চর্চিল ড্রেসিংরুমে চলল জয়োল্লাসও।



First Published: Saturday, January 19, 2013 - 22:41


comments powered by Disqus