রুনিদের জয়, চেলসি-বার্সার হোঁচট

Update: January 17, 2013 22:18 IST

দুগোলে এগিয়ে থেকেও ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগে সাউদাম্পটনের কাছে আটকে গেল চেলসি। বুধবার চেলসির হোম গ্রাউন্ডে ২-২ গোলে ম্যাচ অমীমাংসিত ভাবে শেষ হয়। ম্যাচের প্রথমার্ধে সাউদাম্পটন ফুটবলারদের চাপ থাকলেও গোলমুখ খোলে কিন্তু চেলসিই। ডেম্বা বায়ের গোলে এগিয়ে যান ব্লুজরা। তারপর প্রথমার্ধ শেষ হওয়ার কিছু আগে ব্যবধান বাড়ান ইডেন হাজার্ড। দ্বিতীয়ার্ধে পরিবর্ত হিসাবে রিকি ল্যাম্বার্ট মাঠে নেমেই সাউদাম্পটনের হয়ে ব্যবধান কমান তিনি। তারপর জ্যাসন পাঞ্চেয়নের গোলে সমতায় ফেরে সাউদাম্পটন।

রবিবার লা লিগায় মালাগার বিরুদ্ধে জয় পেলেও স্প্যানিশ কাপে আটকে যেতে হল বার্সেলোনাকে। টুর্নামেন্টের কোয়ার্টার ফাইনালের প্রথম লেগে মালাগার বিরুদ্ধে দুই-দুই গোলে ম্যাচ ড্র করলেন মেসিরা। এমনকি দশজনের মালাগার বিরুদ্ধে একসময় দুই গোলে পিছিয়ে ছিল টিটো ভিলানোভার দল। পরে লিওনেল মেসি এবং কার্লোস পুওলের গোলে মুখরক্ষা হল ক্যাটালানদের। ম্যাচ ড্র করে চ্যাম্পিয়ন হওয়ার স্বপ্ন খানিকটা কঠিন হয়ে গেল বার্সার জন্য।
 

ওয়েন রুনির একমাত্র গোলের সৌজন্যে এফএ কাপে ওয়েস্ট হ্যামকে ১-০ গোলে হারিয়ে দিল ম্যাঞ্চেস্টার ইউনাইটেড। হোম গ্রাউন্ডের এই ম্যাচে প্রায় গোটা দলটাই বদলে ফেলেছিলেন কোচ অ্যালেক্স ফার্গুসন। দলে দশটা পরিবর্তন করেছিলেন তিনি। ম্যাচের নয় মিনিটে অ্যান্ডরসনের একটি অসাধারাণ পাস থেকে বাঁ দিক দিয়ে আক্রমণের ঝড় তেলেন চিচারিতো। কিন্তু গোলের কাছে গিয়েও নিজে গোল না করে রুনির দিকে বল ঠেলে দেন তিনি। তারপর প্রতিপক্ষের গোলের নেটে বল জড়িয়ে মরসুমের নয় নম্বর গোলটি করেন তিনি। জয়ের ফলে টুর্নামেন্টের চতূর্থ রাউন্ডে পৌঁছল ম্যান ইউ।






Post Your Comment

Total Comments:0
blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।