অভিশপ্ত রবিবারের পর ফের ডার্বিতে মুখোমুখি যুযুধান দু`পক্ষ

Update: February 8, 2013 21:51 IST

গত বছরের শেষ ডার্বি ছিল অভিশপ্ত। ফিরতি ডার্বিতে আর বিতর্ক নয়, প্রতিদ্বন্দিতার পুরনো বনেদিয়ানা ফেরাতে চায় মোহনবাগান ও ইস্টবেঙ্গল।

চ্যাম্পিয়নশিপের খেতাবি দৌড়ে থাকতে ফিরতি ডার্বিতেও তিন পয়েন্টের লক্ষ্যে কোচ মরগ্যান। সামগ্রিক ভাবে আক্রমণভাগের পারফরম্যান্স ভরসা জোগাচ্ছে ইস্টবেঙ্গল কোচকে। টোলগে-ওডাফাকে বাড়তি গুরুত্ব দিতে নারাজ মরগ্যান।

ডার্বি ম্যাচে প্রথম একাদশ বাছা রীতিমত চ্যালেঞ্জ হতে চলেছে মরোক্কান করিমের সামনে।বিশেষ করে তিন বিদেশি বাছা।তবে জ্যাকবসকে পেছনে ফেলে সম্ভবত ইচেই শুরু করবেন।বিদেশি বাছার মতই গোলকিপার বাছাইয়ের ক্ষেত্রেও দ্বিধার মধ্যে রয়েছেন বাগান কোচ। তবে এটা স্বীকার করতে বাগান কোচের দ্বিধা নেই যে তুরুপের তাস বেছে নেওয়ার মধ্যেই লুকিয়ে থাকবে সাফল্যের চাবিকাঠি।

Post Your Comment

Total Comments:3

Aj Mohon Bagan East Bengal-er kache here chokher jol fele matha nichu kore math thake uthe jabe.. East Bengal yug yug zeo

To wipe out stima of bagan, the only way to outplay east bengal today

Aj east bengal mohun bagan k uriye debe

blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।