ঘুরে দাঁড়াতে আত্মবিশ্বাসী ধোনি

Update: April 4, 2012 17:00 IST

গত একবছরে ভারতের সাফল্য এবং ব্যর্থতার হার সমান। এমনটাই মনে করছেন ভারত অধিনায়ক মহেন্দ্র সিং ধোনি। তিনি মনে করেন চোট-আঘাত এবং কয়েকজন ক্রিকেটারদের অফ ফর্মের জন্য বিদেশের মাটিতে দল ব্যর্থ হয়েছে। তাঁর আশা খুব তাড়াতাড়ি দল ছন্দে ফিরবে।

ইংল্যান্ড ও অস্ট্রেলিয়ার কাছে হোয়াইট ওয়াশ। তার জেরে আইসিসি-র ক্রম তালিকায় টেস্টের শীর্ষস্থান খোয়ায় ভারতীয় দল। তারপর অস্ট্রেলিয়ায় ত্রিদেশীয় সিরিজ ও বাংলাদেশে এশিয়া কাপের ফাইনালেও  উঠতে ব্যর্থ হয় ভারত। আর এই ব্যর্থতার ফলে মহেন্দ্র সিং ধোনির অধিনায়কত্ব নিয়ে প্রশ্ন উঠে যায়। ধোনি অবশ্য এবিষয়টিকে গুরুত্ব দিতে রাজি নন। তাঁর দাবি ২০১১ সালে ভারত ঘরের মাঠে প্রবল চাপের মধ্যেও বিশ্বকাপ জিতেছে। দেশে কয়েকটি সিরিজে ভাল পারফর্মও করেছে। তাই বিদেশের মাটিতে কয়েকটি সিরিজে খারাপ ফল করলেও ধোনি মনে করেন এ নিয়ে এত ভেঙে পড়ার কিছু নেই।
   
ভবিষ্যতে একদিনের ক্রিকেটের মত টেস্ট ক্রিকেটেও আক্রমণাত্মক অধিনায়ক হিসাবে নিজেকে মেলে ধরতে চান ধোনি।
 






Post Your Comment

Total Comments:0
blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।