প্রথম পাঁচে ধোনি, বিতর্কে ভাজ্জি

Update: January 7, 2013 20:34 IST

অধিনায়ক মহেন্দ্র সিং ধোনির `বাজার` যতই খারাপ থাক, ব্যাটসম্যান ধোনি কিন্তু দিব্যি এগিয়ে চলেছেন। বিশ্বের সেরা পাঁচ একদিনের ব্যাটসম্যানের তালিকায় ঢুকে পড়লেন ধোনি। অন্তত ওয়ানডে ক্রিকেটে ব্যাটসম্যান ধোনির উত্তরণটা বেশ চোখে পড়ার মত। পাকিস্তানের বিরুদ্ধে সদ্য সমাপ্ত ওয়ানডে সিরিজে দুরন্ত ব্যাটিং করেন ধোনি। তিন ম্যাচের সিরিজে একটি চিরস্মরণীয় শতরানের ইনিংস সহ ধোনি করেন ২০৩ রান। সেই সুবাদেই সদ্য প্রকাশিত আইসিসি ক্রিকেট র‌্যাঙ্কিংয়ে ধোনি চার নম্বরে উঠে এলেন। খারাপ ফর্মে থাকা বিরাট কোহলি এক ধাপ র‌্যাঙ্কিং তালিকায় নেমে তিন নম্বরে।

ওয়ানডে ক্রিকেটে ব্যাটসম্যানদের র‌্যাঙ্কিং তালিকায় প্রথম স্থানে আছে হাসিম আমলা। দু`নম্বরে এবি ডিভিলিয়র্স। যুবরাজ সিংও র‌্যাঙ্কিং তালিকায় ঢুকে পড়লেন। যুবির র‌্যাঙ্কিং তালিকার ৪১ নম্বরে আছেন। ভারতীয় বোলারদের মধ্যে কেউই র‌্যাঙ্কিং তালিকার প্রথম কুড়ি জনের মধ্যে নেই‍। ওয়ানডে র‌্যাঙ্কিং তালিকার প্রথম দুজনই পাকিস্তানের। শীর্ষে সইদ আজমল, দুইয়ে মহম্মদ হাফিজ।

এদিকে এসব র‌্যাঙ্কিং থেকে অনেক দূরে থাকা হরভজন সিং ফের বিতর্কে জড়ালেন। ধোনির রাজ্য ঝাড়খন্ডের বিরুদ্ধে রঞ্জি ম্যাচে আম্পায়ারের বিরুদ্ধে খারাপ ব্যবহার করায় শাস্তি হল হরভজনের। ভাজ্জির ম্যাচ পারিশ্রমিকের অর্ধেক কেটে নেওয়া হল।

Post Your Comment

Total Comments:0
blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।