ধ্যানচাঁদের নামে টিউব স্টেশন লন্ডনে

Update: August 3, 2012 17:36 IST

অলিম্পিকের লন্ডনে আপনাকে নাদিয়া কোমানেচি থেকে রজার ফেডেরার আর রাফয়েল নাদাল হয়ে মাইকেল ফেল্পস পর্যন্ত যেতে হবে। আপনি ঠিকই শুনেছেন। আসলে অলিম্পিকের লন্ডনে এভাবেই বদলে গেছে বিখ্যাত লন্ডন টিউবের স্টেশনের নাম। তিনশো একষট্টিটি স্টেশনের নামকরণই করা হয়েছে কোনও না কোনও অলিম্পিক কিংবদন্তীর নামে। ক্রীড়া কিংবদন্তীর নাম সহ লন্ডন টিউবের সেই মানচিত্রও প্রকাশিত হয়েছে। আর সেই মানচিত্রেই জায়গা পেয়েছেন তিনজন ভারতীয় হকির কিংবদন্তী।

অলিম্পিক উপলক্ষে লন্ডনের সবকটি টিউব রেলস্টেশনের নামই রাখা হয়েছে অলিম্পিক কিংবদন্তীদের নামে। তার মধ্যেই রয়েছে ধ্যান চাঁদ সহ ৩ ভারতীয় হকি তারকার নামও। যদিও যে সব স্টেশনের নাম বদলেছে তা নিয়ে তেমন কোনও প্রচার নজরে আসেনি লন্ডনে। গোটা বিষয়টি কার্যত কাগজে কলমে হওয়ায় তা অজানা থেকে গেছে আম লন্ডনবাসীদের কাছে। ওয়াটফোর্ড জাঙ্কশনের নাম হয়েছে হকির যাদুকর ধ্যান চাঁদের নামে। ওয়াটফোর্ড হাইস্ট্রিট রূপ সিং। আর বুশে স্টেশনের নাম হয়েছে লেসলি ক্লডিয়াসের নামে। স্টেশনের নাম ভারতীয় ক্রীড়াবিদের নামে। আর সেই স্টেশনের পাশেই এক ভারতীয়ের দোকান। যদিও বিষয়টি পুরোপুরিই অজানা তাঁর কাছে।

অলিম্পিক উপলক্ষ্যে লন্ডনের টিউব রেলের মানচিত্রের পরিবর্তন হলেও তার কোনও প্রচার চোখে পড়েনি স্টেশনগুলিতে।
 






Post Your Comment

Total Comments:0
blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।