পদ্মভূষণের জন্য মনোনীত দ্রাবিড়, গম্ভীর পদ্মশ্রী

Update: August 27, 2012 17:57 IST

পদ্মভূষণের জন্য রাহুল দ্রাবিড়ের নাম প্রস্তাব করল ভারতীয় ক্রিকেট কন্ট্রোল বোর্ড। ভারতীয় ক্রিকেটে দ্রাবিড়ের অবদানের কথা মাথায় রেখে তাঁকে এই সম্মান দেওয়ার জন্য কেন্দ্রীয় ক্রীড়ামন্ত্রককে অনুরোধ করেছে বিসিসিআই। এর আগে ৯ জন ক্রিকেটার এই সম্মান পেয়েছেন। দ্রাবিড় এই সম্মান পেলে তিনি দশম ক্রিকেটার হিসাবে পদ্মভূষণ পাবেন। পাশাপাশি পদ্মশ্রীর জন্য গৌতম গম্ভীরের নামও প্রস্তাব করেছে ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড।
   
ভারতীয় ক্রিকেটের ওয়াল রাহুল দ্রাবিড় গত ১৬ বছর ধরে ভারতের হয়ে খেলেছেন। চলতি বছরের মার্চ মাসে ৩৯ বছর বয়সে অবসর নেন তিনি। অন্যদিকে ভারতীয় দলের সহ অধিনায়ক গৌতম গম্ভীর ছিলেন ভারতের বিশ্বকাপ জয়ী দলের অন্যতম সদস্য। দীর্ঘ ৯ বছর ধরে বহু অনবদ্য ইনিংস খেলে পরবর্তী অধিনায়ক হওয়ার অন্যতম দাবিদার তিনি।

এর আগে ভারতের চতুর্থ সর্বোচ্চ সম্মান পদ্মশ্রীতে ভূষিত হয়েছেন বহু ক্রিকেটার। তৃতীয় সর্বোচ্চ সম্মান পদ্মভূষণ পেয়েছেন ৯ জন ক্রিকেটার। এঁদের মধ্যে রয়েছেন সুনীল গাভাসকর, কপিল দেব, ভিনু মানকড় ও লালা অমরনাথ। একমাত্র ক্রিকেটার হিসেবে পদ্মবিভূষণ পেয়েছেন সচিন তেন্ডুলকর।



Post Your Comment

Total Comments:0
blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।