ভবানীপুরকে হারিয়েও খুশি নন মরগ্যান

Update: January 29, 2013 20:16 IST

ইস্টবেঙ্গল (১) ভবানীপুর (০)


ঘরোয়া লিগের চ্যাম্পিয়নশিপ রাউন্ডের প্রথম ম্যাচে জয় পেল ইস্টবেঙ্গল। কল্যাণীতে ভবানীপুর ক্লাবকে ১-০ গোলে হারিয়ে দিল ট্রেভর মরগ্যানের দল। মঙ্গলবার মেহতাব,চিড্ডির মত সিনিয়রদের বিশ্রাম দিয়েছিলেন লাল-হলুদ কোচ। প্রথম একাদশে শুরু করেছিলেন ইস্টবেঙ্গলের নতুন বিদেশি বোরিসিচ। তবে চোটের জন্য ভবানীপুরের হয়ে মাঠে নামেননি ব্যারেটো।

প্রথমার্ধ গোলশূন্য থাকার পর দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতে ইস্টবেঙ্গলকে এগিয়ে দেন সুবোধ কুমার। ৩৫ গজ দূর থেকে দুরন্ত ফ্রিকিকে গোল করেন লাল-হলুদের এই মিডফিল্ডার। পুণে এফ সি ম্যাচের মত এদিনও নজর কাড়তে ব্যর্থ হন অসি স্ট্রাইকার বোরিসিচ। পরিবর্ত হিসাবে মননদীপ আর বলজিত মাঠে নামলেও,গোলসংখ্যা বাড়াতে পারেনি ইস্টবেঙ্গল।


ঘরোয়া লিগের চ্যাম্পিয়নশিপ রাউন্ডের প্রথম ম্যাচে জিতলেও দলের খেলায় খুশি নন কোচ ট্রেভর মরগ্যান। মঙ্গলবার ভবানীপুরকে হারাতে বেশ বেগ পেতে হয় দলকে। কোচ মানছেন যে তাঁর দলকে পরিচিত ছন্দে খেলতে দেখা যায়নি। তবে ঘরোয়া লিগই হোক বা আই লিগ,তাঁর কাছে তিন পয়েন্টই শেষ কথা। মরগ্যান বলছেন,মঙ্গলবারের দলে বেশ কয়েকজন ফুটবলার অনেকদিন পর প্রতিযোগিতামূলক ম্যাচে মাঠে নামলেন। তাই তাদের খেলায় কিছুটা জড়তা ছিল।






Post Your Comment

Total Comments:0
blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।