ঘরোয়া লিগে সুপার নাইনে চার নম্বর জয়ে চার গোল চিডিদের

Update: February 16, 2013 18:15 IST

ইস্টবেঙ্গল (৪) সাদার্ন সমিতি (০)
(বলজিত-২, চিডি, খাবরা)
ঘরোয়া লিগে ইস্টবেঙ্গলের দাপট চলছেই। সুপার নাইনে টানা চার ম্যাচ জিতে লিগে শীর্ষস্থান ধরে রাখল লাল-হলুদ শিবির। আর ঘরোযা লিগে টানা চার নম্বর জয়ের ম্যাচে চার গোল দিল লাল হলুদ। আগের ম্যাচে কালিঘাট এম এস-কে ৪-০ গোলে উড়িয়ে দেওয়ার পর শনিবার কল্যাণীতে সাদার্ন সমিতিকেও চার গোল দিল মরগ্যানের দল। চোট থাকায় এদিন মাঠে নামেননি বোরিসিচ। তাই তিন বিদেশি হিসাবে ওপারা,পেন আর চিডিকে মাঠে নামিয়েছিলেন মরগ্যান।

প্রথমার্ধে ইস্টবেঙ্গলের দাপট থাকলেও গোলমুখ খুলতে পারেননি বলজিত,চিড্ডিরা। দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতে আক্রমণে চাপ বাড়ান পেনরা। আর তাতেই তাসের ঘরের মত ভেঙে পড়ে সাদার্নের ডিফেন্স। ছয় মিনিটের মধ্যে জোড়া গোল করেন বলজিত। ইস্টবেঙ্গলের হয়ে তৃতীয় গোলটি করেন চলতি মরসুমে ইস্টবেঙ্গলের সর্বোচ্চ গোলদাতা চিডি। খাবরা-র পাস থেকে গোল করে চিডি উতসর্গ করেন তাঁর সদ্যজাত প্রিন্সেস-কে। খেলা শেষ হওয়ার কয়েক মিনিটে আগে জোরালো শটে গোল করে যান খাবরা-ও। বড় ব্যবধানে জয়ের পাশাপাশি স্ট্রাইকারদের ফর্ম নিঃসন্দেহে স্বস্তিতে রাখবে মরগ্যানকে। সেই সঙ্গে কলকাতা লিগ চ্যাম্পিয়ন হওয়ার পথে আরও এক ধাপ এগোল ইস্টবেঙ্গল।





Post Your Comment

Total Comments:1

Being a EB fan I am very proud for winnig the match I congrate all players and Mr.Morgan.waiting for league champian.

blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।