জয়ে ফিরল ইস্টবেঙ্গল, দুরন্ত সঞ্জু

Update: December 30, 2012 19:29 IST

ইস্টবেঙ্গল (৩) পৈলান অ্যারোজ (০)

কারও সর্বনাশ, কারও আবার ফিরছে পৌষমাস। গঙ্গাপাড়ের ক্লাব আই লিগ থেকে নির্বাসিত হওয়ার পরদিন জয়ে ফিরল পদ্মাপাড়ের ক্লাব। পরপর দু ম্যাচ হারের পর আই লিগে জয়ের রাস্তা খুঁজে পেল ট্রেভর জেমস মরগ্যানের দল। কল্যানী স্টেডিয়ামে সঞ্জু প্রধানের জোড়া গোলে পৈলান অ্যারোজকে ৩-০ ব্যবধানে হারাল ইস্টবেঙ্গল।

এ মরসুমের ইস্টবেঙ্গলের তিনটে থিম। চিডি গোল করলে দল বেশ ছন্দে এগোবে। পেন খেললে জয়ের ঠিকানা লেখা যাবে। আর সঞ্জু দৌড়লে বিপক্ষ হাঁফাবে। এইদিন ঠিক তৃতীয়টা হল। সঞ্জু দুরন্ত বুদ্ধিদীপ্ত ফুটবল খেলে পৈলান অ্যারোজের ফুটবলারদের বিভ্রান্ত করলেন। বিরতির ঠিক আগে রবিন সিং দলকে এগিয়ে দেওয়ার পর লাল হলুদকে আর পিছনে তাকাতে হয়নি। ম্যাচের ৫৩ মিনিটে মনে রাখার মত একটা গোল করলেন সঞ্জু। চিডি এরপর কিছুটা ব্যস্ত রাখলেন পৈলানের গোলকিপারকে। ম্যাচ শেষের পাঁচ মিনিট আগে পেনের পাস থেকে দারুণ গোল করলেন সঞ্জু। পৈলানের গোলরক্ষক দুরন্ত ফুটবল না খেললে গোলের সংখ্যা আরও বাড়তে পারত। ১২ ম্যাচ খেলে ইস্টবেঙ্গলের পয়েন্ট দাঁড়াল ২৪।
মাতোয়ারা কল্যানী:কল্যানী স্টেডিয়াম বহুদিন ধরেই নজরে এআইএফএফের।নদিয়া জেলার এই স্টেডিয়ামে বেশ কয়েকটি ফুটবল নিয়ে প্রকল্পের কাজও করেছেন ফেডারেশন কর্তারা।চলতি বছরই তাঁদের লক্ষ্য ছিল আইলিগের ম্যাচ আয়োজন করার। শনিবার প্রয়াগ ইউনাইটেড ম্যাচ হওয়ার পর রবিবার ইস্টবেঙ্গলের মত হেভিওয়েট দলের ম্যাচ আয়োজিত হল কল্যানী স্টেডিয়ামে। দর্শকদের উত্সাহ ছিল বাঁধভাঙা।এর আগে মোহনবাগানের ম্যাচ হলেও তা ছিল কলকাতা লিগের।কিন্তু ভারতের সেরা টুর্নামেন্টে ভারতের অন্যতম সেরা দলের ম্যাচ রবিবার হল প্রথমবার।আর তার জন্য কল্যানী স্টেডিয়াম জুড়ে ছিল নিরাপত্তার কড়াকড়ি। স্টেডিয়ামের প্রতিটি গেটে নিরাপত্তা ছিল চোখে পড়ার মত।নয়ই ডিসেমন্বর যুবভারতী থেকে শিক্ষা নিয়ে কল্যানী স্টেডিয়ামকে তাই নিরাপত্তার বেড়াজালে মুড়ে রাখা হয়েছিল।
 









Post Your Comment

Total Comments:1

East bengal akmatro banlar gorber bhobisot

blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।