টোলগেকে রাখতে হাল ছাড়ছে না ইস্টবেঙ্গল

Update: May 1, 2012 23:38 IST

টোলগে ওজবেকে রাজি করাতে পারলেন না ইস্টবেঙ্গল কর্তারা। মঙ্গলবার সন্ধ্যায় টোলগের সঙ্গে বৈঠক করেন লাল-হলুদের এক কর্তা। বেশ কিছুক্ষণ আলোচনা হয় দুজনের মধ্যে। কিন্তু বৈঠকের পরও কোনও সিদ্ধান্তে পৌঁছতে পারা যায়নি বলে ইস্টবেঙ্গল সূত্রে খবর।

পুণে থেকে কলকাতায় ফিরে ফের লাল-হলুদ কর্তাদের সঙ্গে বসবেন টোলগে। টোলগের ব্যাপারে ইস্টবেঙ্গল কর্তারা এখনও হাল না ছাড়লেও, অজি গোলমেশিনকে যে আর রাখা যাবে না তা তারা ভাল মতই বুঝতে পারছেন।

Post Your Comment

Total Comments:3

tolga r mohan baganai khala uchit

tolga r mohan baganai khala uchit

AS A EAST BENGAL FAN MY OPINION IS DONT OILING TO TOLGAY,IF WE R NOT ACHIVE TO GET I LIGUE SO WHY WE R FULL FILL THEIR`S DEMAND.

blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।