ইস্টবেঙ্গলের জয়ে কলকাতায় স্বস্তি

Update: September 23, 2012 21:34 IST

এবারের ফেডারেশন কাপ থেকে একে একে বিদায় নিয়েছে মোহনবাগান, মহামেডান, প্রয়াগ, কালিঘাট এমএসের মত কলকাতার দলেরা। শিবরাত্রির সলতের মত টিকে থাকা ইস্টবেঙ্গল অবশ্য কোনওক্রমে রক্ষা পেল। রবিবার শিলিগুড়ির কাঞ্চনজঙ্ঘা স্টেডিয়ামে ইস্টবেঙ্গল ২-১ গোলে জিতল ওএনজিসির বিরুদ্ধে। ম্যাচের ১১ মিনিটে ডিফেন্সের দোষে গোল খেয়ে পিছিয়ে পড়েছিল ইস্টবেঙ্গল।

সেখান থেকে বিরতির একেবারে শেষে গোলশোধ করেন চিডি। আর খেলা শেষ হওয়ার পাঁচ মিনিট আগে জয়সূচক গোলটি করেন মননদীপ সিংয়ের গোলে তিন পয়েন্ট নিশ্চিত করে মর্গ্যান ব্রিগেড। ৭৭ মিনিটে লাল কার্ড দেখেন ওএনজিসির ইয়ুসা। গ্রুপের অন্য ম্যাচে কালিঘাট এমএসকে ৩-২ গোলে হারিয়ে লড়াই জমিয়ে দিল স্পোর্টিং ক্লাব দি গোয়া। সেমিফাইনালে উঠতে হলে এখন মঙ্গলবার কালিঘাট এমএসের বিরুদ্ধে শেষ ম্যাচে বড় জয় পেতে হবে ইস্টবেঙ্গলকে।

Post Your Comment

Total Comments:0
blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।