ফেডারেশনকে কৌশলে চাপ ইস্টবেঙ্গলের

Update: January 16, 2013 22:29 IST

এক অভিনব সিদ্ধান্তে ফেডারেশনকে চাপে রাখার চেষ্টা করল ইস্টবেঙ্গল। বুধবার ইস্টবেঙ্গলের কর্মসমিতির বৈঠকে সিদ্ধান্ত হয়েছে যে জনসমর্থন এবং শতাব্দী প্রাচীন ক্লাব প্রসঙ্গ টেনে মোহনবাগানকে নির্বাসন মুক্ত করা হয়েছে, তাহলে মহমেডান স্পোর্টিংকে কেন আই লিগে খেলার সুযোগ দেওয়া হচ্ছে না। এই আর্জি ফেডারেশনের কাছে।

 
কর্মসমিতির বৈঠকের এই সিদ্ধান্ত ইমেল মারফত জানানো হচ্ছে মহমেডান স্পোর্টিং,ফেডারেশন,আইএফএ ও ক্রীড়ামন্ত্রী মদন মিত্রকে। ইস্টবেঙ্গল কর্তাদের দাবি,মহমেডান স্পোর্টিং যদি রাজি হয়,প্রয়োজনে তাঁরা পথে নামতেও প্রস্তুত। এখানেই শেষ নয়,এই ইস্যুতে মোহনবাগান ইস্টবেঙ্গল-মহমেডানের পাশে থাকতে চাইলে সাদরে আমন্ত্রণ জানাবেন বলে জানান ইস্টবেঙ্গল কর্তারা। এদিকে মোহনবাগানের নির্বাসন উঠে যাওয়ার পর গোপন আঁতাতের কথা উল্লেখ করে বিতর্কে জড়ান লাল-হলুদ সচিব কল্যাণ মজুমদার। তাঁর বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ নিতে চলেছে ফেডারেশন।

 
বিতর্কিত মন্তব্য করার জন্য ইস্টবেঙ্গল সচিব কল্যাণ মজুমদারের বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপ নিতে পারে ফেডারেশন কর্তারা মনে করছেন সর্বময় সংস্থার বিশ্বাসযোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন তুলে শৃঙ্খলাভঙ্গ করেছেন কল্যাণ মুজুমদার। অন্যদিকে নির্বাসন উঠে যাওয়ার পর বুধবার বিকেলে বৈঠকে বসেছিল মোহনবাগানের কর্মসমিতি। ফেডারেশনের ধার্য করা জরিমানা দেওয়ার জন্য পাঁচ সদস্যের একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে। মোহনবাগান কার্যকরী সমিতির সদস্য অতীন ঘোষের পদত্যাগ পত্র এদিন গৃহীত হয়নি।

Post Your Comment

Total Comments:1

need CBI enquiry against fedaration 1st, what happened and why mr. subrata dutta and srinjoy bose meet out side fedaration office and check praful patel`s cell phone call list .

blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।