শেষ আটে ইতালি-স্পেনের মুখোমুখি কারা?

Update: June 19, 2012 13:50 IST

ইউরো কাপের শেষ আটে জায়গা করে নেওযার লড়াইয়ে আজ ইউক্রেনের মুখোমুখি হচ্ছে ইংল্যান্ড। প্রথম ম্যাচে ফ্রান্সের সঙ্গে ড্র করলেও, দ্বিতীয় ম্যাচে সুইডেনকে হারিয়ে ঘুরে দাঁড়িয়েছে রয় হজসনের দল। আজ ইউক্রেনকে হারাতে পারলেই কোয়ার্টার ফাইনালে জায়গা নিশ্চিত করে ফেলবেন রুনিরা। অন্যদিকে আগের ম্যাচে ইউক্রেনকে ২-০ গোলে হারালেও, ইউরোর শেষ আটের রাস্তা এখনও পরিষ্কার নয় ফ্রান্সের। আজ রাতে সুইডেনকে হারিয়ে সেই রাস্তা পরিষ্কার করতে মরিয়া লরা ব্লাঁ-র দল।

নির্বাসন কাটিয়ে ইউক্রেনের বিরুদ্ধে এবারের ইউরোয় প্রথম ম্যাচ খেলতে নামছেন ম্যান ইউ স্ট্রাইকার ওয়েন রুনি। রুনির ফেরা স্বস্তিতে রাখছে ইংল্যান্ড কোচকে। আক্রমনভাগে রুনির সঙ্গে সম্ভবত শুরু করবেন ম্যান ইউয়ে তাঁর সতীর্থ ড্যানি ওয়েলব্যাক। আগের ম্যাচে দুরন্ত গোল করা অ্যান্ডি ক্যারোলকেও খেলানোর ভাবনাচিন্তা রয়েছে ইংল্যান্ড কোচের। ইউক্রেনের বিরুদ্ধে ৪-২-৩-১ ছকে দল নামাতে চান রয় হজসন। ডু অর ডাই ম্যাচের আগে বেশ চাপে ইউক্রেন কোচ। হাঁটুর চোটের জন্য ইংল্যান্ড ম্যাচে খেলা অনিশ্চিত শেভচেঙ্কোর। ইংল্যান্ডকে হারাতে পারলে শেষ আটে জায়গা করে নেবে আয়োজক দেশ ইউক্রেন।
দু বছর আগে বিশ্বকাপের গ্রুপ পর্যায় থেকে ছিটকে যেতে হয়েছিল ফ্রান্সকে। তারপর বেনজামাদের দায়িত্ব নিয়ে দলকে একেবারে বদলে দিয়েছেন নতুন কোচ লরা ব্লাঁ। ইতিমধ্যেই ইউরো কাপ থেকে ছিটকে গেছে সুইডেন। তাই ইব্রাহিমোভিচদের হারিয়ে নক আউটে যাওয়ার ব্যাপারে আত্মবিশ্বাসী ফ্রান্স। পায়ের চোটের জন্য সুইডেনের বিরুদ্ধে অনিশ্চিত ক্যাবায়ে। তিনি খেলতে না পারলে তাঁর জায়গায় আসবেন এমভিলা। গত মরসুমে রিয়ালের হয়ে দুরন্ত ফুটবল খেললেও, এবারের ইউরোয় এখনও গোল পাননি করিম বেনজামা। গোল খরা কাটাতে মরিয়া তরুণ এই স্ট্রাইকার। সুইডেনের কাছে এই ম্যাচ নেহাতই নিয়মরক্ষার। প্রথম দুটো ম্যাচে হেরে ইতিমধ্যেই টুর্নামেন্ট থেকে ছিটকে গেছে তারা। ইউরোয় অন্তত একটা ম্যাচ জিততে চান ইব্রাহিমোভিচরা। গত সাতটা ম্যাচে মাত্র একটাতে হেরেছে ফ্রান্স। তাই বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সুইডেনকে হারিয়ে ফ্রান্সের কোয়ার্টার ফাইনালে যাওয়ার জন্য খুব একটা বেগ পাওয়ার কথা নয়।



Post Your Comment

Total Comments:0
blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।