ইউরো কাপে স্প্যানিশ প্রত্যাবর্তন

Update: July 2, 2012 08:52 IST

ইতিহাস গড়ল বিশ্বচ্যাম্পিয়ন স্পেন। পরপর দু`বার ইউরো সেরা হল স্প্যানিশরা। রবিবার কিয়েভে ইউরো কাপের ফাইনালে  ইতালিকে ৪-০ গোলে হারিয়ে দিলেন ফ্যাব্রেগাসরা। আর সেই সঙ্গেই ৪ বছরের মধ্যে বিশ্বের কঠিনতম দু`টি টুর্মামেন্ট ৩ জেতার রেকর্ড করল ইকের ক্যাসিয়াসের দল। ৭০-এর পেলের ব্রাজিল, ৭৪-এর বেকেনবাওয়ারের জার্মানি, ৮৬-র মারাদোনার আর্জেন্তিনা, কিংবা ১৯৯৮-এর জিদানের ফ্রান্সের মতো সর্বকালের সেরা টিমগুলির সঙ্গে এক সারিতে চলে এল স্প্যানিশ আর্মাডার নাম।

ম্যাচ শুরুর প্রথম ১৪ মিনিটে হেডে গোল করে স্পেনকে এগিয়ে দেন দাভিদ সিলভা। এরপর সময় যত এগিয়েছে, ততই বেড়েছে ইতালির ওপর চাপ। আর ততই দুর্বল হতে দেখা গেছে আজুরিদের। গোটা ম্যাচ জুড়েই একপেশেভাবে মাঠে দাপট দেখিয়েছেন স্প্যানিশরা। বিরতির আগেই স্পেনের হয়ে ব্যবধান বাড়ান জোডি আলবা।

৮৪ মিনিটের মাথায় ফার্নান্ডো টোরেসের গোলে ব্যবধান ৩-০ হওয়ার পরই পুরোপুরি নিশ্চিত হয়ে যায় ইউরো কাপে স্প্যানিশদের পুনর্দখল। ইনিয়েস্তার বদলে নেমে জুয়ান মাটাও সুযোগের সম্পূর্ণ সদ্ব্যবহার করেন। খেলা শেষের এক মিনিট আগে তাঁর অনবদ্য পাসে বল চলে যায় গোলপোস্টের ভিতরে। বিশ্বফুটবলের প্রথম দল হিসাবে পরপর ৩টি বড় টুর্নামেন্ট জিতল স্পেন।

এদিন কিয়েভে ক্যাসিয়াসরা ইউরোপ সেরা হওয়ার পর দেশজুড়ে বাঁধনছাড়া উচ্ছ্বাসে মাতেন স্প্যানিশ ফুটবলপ্রেমীরা। মাদ্রিদের রাস্তায় সারা রাত চলে সেলিব্রেশন। একই ছবি দেখা যায় স্পেনের অন্যান্য শহরেও। কিয়েভে খেলা শেষ হওয়ার পর শহরের মূলপ্রান্তে উচ্ছ্বাসে মাতেন স্প্যানিশ সমর্থকরা।

Post Your Comment

Total Comments:0
blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।