এগিয়ে গিয়েও ড্র পোল্যান্ডের, চেকদের চূর্ণ করে চমকে দিল রাশিয়া

Last Updated: Saturday, June 9, 2012 - 10:01

রুদ্ধশ্বাস অমিমাংসিত ম্যাচ দিয়ে শুরু হল এ বছরের ইউরো। টুর্নামেন্টের প্রথম ম্যাচে গ্রিসের সঙ্গে ১-১-এ ড্র করল আয়োজক দেশ পোল্যান্ড। অন্য ম্যাচে চেক প্রজাতন্ত্রকে ৪-১ গোলে হারিয়ে আড়াই দশক পর ইউরো ফাইনালে যাওয়ার আশা জাগাল রাশিয়া।
১৭ মিনিটে পোল্যান্ডের লেবানদস্কি হেডে গোল করে এগিয়ে দেন দলকে। কিন্তু বিরতির পর খেলার ৬৮ মিনিটে পোল্যান্ডের গোলকিপার সেজনি লাল কার্ড দেখেন। এর ঠিক পরেই পেনাল্টি মিস করেন গ্রিসের কারাগৌনিস। অবশ্য এর আগেই গ্রিসের সালপিঙ্গিদিস গোল করে সমতা ফেরান।
২০০৪ ইউরোজয়ীদের বিরুদ্ধে কোচ স্মুডার ভরসা ছিল বরুসিয়া ডর্টমুন্ডের ত্রয়ী পিজচেক-ব্ল্যাসজিকোয়স্কি-লেওয়ানডওস্কির ওপর। গ্রিসের বিরুদ্ধে খেলতে নামার আগে পরিসংখ্যান ছিল পোল্যান্ডের পক্ষেই। সেই রেকর্ড বজায় রাখল পোলিশরা। এই নিয়ে গ্রিসের সঙ্গে ১৬ বার সাক্ষাতে ১১ বারই জিতল পোল্যান্ড। অন্যদিকে গ্রিস শিবির কোয়ালিফাইংয়ে কঠিন প্রতিপক্ষদের হারিয়েছে। ৪-৩-৩ ছকে খেলতে চলা গ্রিসের রয়েছে চোট সমস্যা। ভাসিলস টোরোসিডিসকে চোটের জন্য পাওয়া যায়নি প্রথম ম্যাচে। তারও লাভ পেয়েছে পোলিশরা।

অন্য ম্যাচে চেক রিপাবলিকের বিরুদ্ধে ৪-১ গোলে জিতে ইউরো কাপ অভিযান শুরু করেছে রাশিয়া। গ্রুপ এ-র এই ম্যাচে ডিক অ্যাডভোকাটের দলের পারফরম্যান্স মুগ্ধ করেছে ফুটবল বিশেষজ্ঞদের। অপরাজিত থেকেই ইউরো কাপে কোয়ালিফাই করেছে রাশিয়া। প্রস্তুতি ম্যাচে ইতালিকে হারিয়েছে ৩-০ গোল। এদিনও মাঠে দেখা গেল সেই ঝলক! খেলার ১৫ মিনিটেই গোল করে দলকে এগিয়ে দেন এলান ডিজাগোয়েভ। রোমান শিরোকভ খেলার ২৪ মিনিটে দর্শনীয় শটে নিশানা ভেদ করে ব্যবধান বাড়ান।
২-০ গোলে এগিয়ে যাওয়ার পর পাওয়ার ফুটবল থেকে সরে এসে ছন্দে ছন্দে খেলতে থাকে রুশ শিবির। দেখতে দেখতে কেটে যায় প্রথম ৪৫ মিনিট। বিরতির অন্য চেহারায় ফেরে চেক প্রজাতন্ত্র। একটি গোলও শোধ দেয়। ৫২ মিনিটে ব্যবধান ২-১ এ নামিয়ে আনেন পিলার। বলের দখল হারিয়ে ফেলে রাশিয়া। এই অর্ধে নিজেদের আগের রূপে ফিরে পেতে সময় লাগে রাশিয়ানদের। ৭৯ মিনিটে এলান নিজের দ্বিতীয় এবং দলের পক্ষে তৃতীয় গোলটি করার পর ফের মাঠে আধিপত্য ফেরে রুশদের। ৮২ মিনিটে পাভলোশেচেঙ্কো চতুর্থ গোল করে চেকদের পরাজয়ের কফিনে শেষ পেরেক ঠোকেন।



First Published: Saturday, June 9, 2012 - 10:01


comments powered by Disqus