ইউরো সং ২০১২

Update: June 8, 2012 22:49 IST

দক্ষিণ আফ্রিকায় ২০১০ ফুটবল বিশ্বকাপের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানকে অন্যমাত্রা দিয়েছিল শাকিরার `ওয়াকা ওয়াকা`। কলম্বিয়ার এই গায়িকার গান এক লহমায় দুলিয়ে দিয়েছিল গোটা বিশ্বকে। `ওয়াকা ওয়াকা`র মত আর এক সুর এবার ফুটবল অনুরাগীদের মন ছুঁতে চলেছে। ইউরো সং ২০১২।

এবারের ইউরো থিম সংয়ের বিশেষত্ব হল এটি পোল্যান্ডের ঐতিহ্য মাখা একটি মেঠো সুর। ইতিমধ্যেই কোকো ইউরো স্পোকো গানটি মন কেড়েছে স্থানীয় মানুষের। অলস দুপুরই হোক বা ব্যস্ত দুপুর, কাজের ফাঁকে গুনগুনিয়ে উঠছেন এই গানের সুর। গানটি গেয়েছেন আট মহিলা লোকশিল্পী। গ্রুপের নাম জারজেবেনি। অখ্যাত জারজেবেনি রাতারাতি বিখ্যাত হয়ে উঠেছে এই গানের কল্যানে। আবেগে আপ্লুত জারজেবেনি গ্রুপের এই মহিলারা।

তবে আক্ষেপও রয়েছে। কারন তাঁরা ইউরোর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে পারফর্ম করার সুযোগ পাননি। ওয়ারশতে বারো মিনিটের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে জারজেবেনির সুর না থাকলেও কোকো ইউরো স্পোকো ওয়াকা ওয়াকার মতই জনপ্রিয় হয়ে উঠবে বলে মনে করছেন তাঁরা।

Post Your Comment

Total Comments:1

about our ist page

blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।