ফাইনালে ফিরলেন ফেডেরার

Update: July 6, 2012 21:22 IST

উইম্বলডনের সেন্টার কোর্টে ফের ফেডেরার ম্যাজিক। শীর্ষবাছাই নোভাক জোকোভিচকে হারিয়ে উইম্বলডনের ফাইনালে জায়গা করে নিলেন সুইস সুপারস্টার। ফেডেরারের ম্যাজেকস্টিক টেনিসের কোনও উত্তরই ছিল না গতবারের উইম্বলডন চ্যাম্পিয়নের কাছে। প্রথমবার ঘাসের কোর্টে মুখোমুখি হয়েছিলেন বর্তমান টেনিসের দুই সেরা তারকা ফেডেরার আর জোকোভিচ।

টেনিসের এই সেরা লড়াই দেখার জন্য সেন্টার কোর্টে হাজির ছিলেন সচিন তেন্ডুলকর থেকে কিংবদন্তি রড লেভার। শুরু থেকেই মেজাজে ছিলেন ফেডেরার। প্রথম সেট ৬-৩`এ জিতলেও, দ্বিতীয় সেট একই ব্যবধানে জিতে ঘুরে দাঁড়ান সার্বিয়ান জোকোভিচ। যদিও তৃতীয় সেটে ফের স্বমেজাজে পাওয়া যায় সুইস তারকাকে। নিজের পরিচিত ফোরহ্যান্ড শট দিয়ে বারবারই জোকোকে বিব্রত করেছেন ফেডেরার।

চতুর্থ সেট ৬-৪ ব্যবধানে জিতে ম্যাচ জিতে নেন ছ`বারের উইম্বলডন চ্যাম্পিয়ন রজার ফেডেরার। এই নিয়ে আটবার উইম্বলডনের ফাইনালে উঠলেন ১৬টি গ্র্যান্ডস্লামের মালিক। পিট সাম্প্রাসের সাতবার উইম্বলডন জয়ের রেকর্ড স্পর্শ করার হাতছানি ফেডেরারের সামনে। 





Post Your Comment

Total Comments:0
blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।