মদন মিত্রের নির্দেশের ওপর স্থগিতাদেশ হাইকোর্টের

Update: June 15, 2012 09:05 IST

রাজ্য ক্রীড়া দফতরের নির্দেশের উপর স্থগিতাদেশ দিল হাইকোর্ট। জেলার ক্রীড়াসংস্থাগুলিকে ভেঙে দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছিল ক্রীড়া দফতর।

রাজ্যের সমস্ত জেলা ক্রীড়া সংস্থার পরিচালন সমিতিকে  ভেঙে দিয়েছে রাজ্যের ক্রীড়া দফতর। সেটাকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে রাজ্যের ক্রীড়াদপ্তরের বিরুদ্ধে হাইকোর্টে  মামলা করেছিল বিভিন্ন জেলার ক্রীড়া সংস্থাগুলো। বৃহস্পতিবার প্রথম শুনানিতে ক্রীড়া দফতেরর সিদ্ধান্তের উপর  স্থগিতাদেশ দিল হাইকোর্ট।
 
দুর্নীতি এবং জেলায় ক্রীড়া উন্নয়নের ক্ষেত্রে অনীহার অভিযোগে ক্রীড়ামন্ত্রী মদন মিত্রের নির্দেশে পয়লা জুন ভেঙে দেওয়া হয়েছিল রাজ্যের সমস্ত ক্রীড়া সংস্থার পরিচালন সমিতিকে। এর প্রতিবাদে সব জেলার প্রতিনিধিরা বৈঠকে সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন সরকারকে বিষয়টি পুনর্বিবেচনার সময় দেওয়া হবে। না-হলে আইনের রাস্তায় যাবে। সরকার পুনর্বিবেচনা না-করায় হুগলি, নদিয়া, উত্তর ও দঃ দিনাজপুর রাজ্যের ক্রীড়ামন্ত্রীর নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে হাইকোর্ট মামলা করে। রাজ্য ক্রীড়া দফতর ১৫ জুনের মধ্যে জেলার ক্রীড়াসংস্থাগুলিকে ভেঙে দিয়ে জেলা শাসকদের দায়িত্ব নিতে বলেছিল। ক্রীড়ামন্ত্রীর এই সিদ্ধান্তে ক্ষুব্ধ হয়ে উত্তর ২৪ পরগনার জেলা ক্রীড়াসংস্থার সচিব তৃণমূল বিধায়ক শীলভদ্র দত্ত তাঁর পদ থেকে পদত্যাগ করেছেন।
 

Post Your Comment

Total Comments:0
blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।