সুখোই চড়ার সুখ আর রইলনা ভারতীয় ক্রিকেটারদের

Update: October 9, 2012 22:17 IST

ভারতীয় ক্রিকেটারদের উপর চটেছে বায়ুসেনা। ভারতীয় বিমানবাহিনীর পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে,তাঁদের ব্যস্ত সূচির জন্য তাঁরা কোনও ক্রিকেটারকে সুখোই চড়ার সুখ দিতে পারবেন না।   

ভারতীয় বিমানবাহিনীর পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে,তাঁদের ব্যস্ত সূচির জন্য আগামি কয়েকবছর তাঁরা কোনও ক্রিকেটারকে সুখোই চড়ার সুখ দিতে পারবেননা। তবে সূত্রের খবর,ক্রিকেটারদের উপর চটেছেন এয়ারফোর্সের কর্তারা।এক বছর আগে সাম্মানিক গ্রুপ ক্যাপ্টেন স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে সচিন তেন্ডুলকর ও মহেন্দ্র সিং ধোনিকে।কিন্তু পরবর্তী সময়ে কোনও অনুষ্ঠানে আমন্ত্রণ জানালেও পাওয়া যায়নি দুই ক্রিকেটারকে। সম্প্রতি সেনার বার্ষিক কুচকাওয়াচে আমন্ত্রণ পাওয়া সত্বেও যাননি মহেন্দ্র সিং ধোনি। উল্লেখ্য ভারতীয় সেনাবাহিনীর পক্ষ থেকে ধোনিকে লেফটনেন্ট কর্নেল স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছিল। শোনা যাচ্ছে ক্রিকেটারদের এরকম আচরণে চটেছেন এয়ারফোর্সের কর্তারা।পাশাপাশি ভারতীয় ক্রিকেটারদের পারফরম্যান্সও নিম্নমুখী।এতেই প্রচন্ড চটেছেন বিমানবাহিনীর কর্তারা।অতএব সুখোইয়ের সুখ বা মিগের মেগা গ্লাইডিং থেকে এখন দূরেই থাকতে হচ্ছে ধোনিদের।

Post Your Comment

Total Comments:0
blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।