গড়াপেটায় অভিযুক্ত আম্পায়ারদের নির্বাসনে পাঠাল আইসিসি

Update: October 10, 2012 14:31 IST

গড়াপেটায় অভিযুক্ত ছয় আম্পায়ারকে নির্বাসিত করল আইসিসি। দেশের একটি বেসরকারি টিভি চ্যানেলের করা স্টিং অপারেশনে ৬ জন আম্পায়ারের নাম উঠে আসে যাঁরা টাকার বিনিময়ে ম্যাচ ফিক্সিং-এ রাজি হয়েছেন। এই অভিযোগের ভিত্তিতেই ৬ জন আম্পায়ারকে নির্বাসিত করা হল। আন্তর্জাতিক কিংবা ঘরোয়া কোনও ক্ষেত্রেই এই অভিযুক্ত আম্পয়াররা আর ম্যাচ পরিচালনা করতে পারবেন না। তদন্ত শেষ হওয়া না পর্যন্ত গড়াপেটায় অভিযুক্ত ছয় আম্পায়ারকে নির্বাসিত করার সিদ্ধান্ত নিল আইসিসি।

নির্বাসিত হওয়া আম্পয়াররা হলেন পাকিস্তানের নাদিম ঘাউরি, আনিস সিদ্দিকি, শ্রীলঙ্কার গামিনি দিসানায়েক, মরিস উইটসন, সাগর গালেজ এবং বাংলাদেশের নাদির শাহ। এই ছ`জন আম্পায়ার টাকা নিয়ে সিদ্ধান্ত বিক্রি করতে চেয়েছেন এমন দেখানো হয় সেই স্টিং অপারেশনে ।

স্টিং অপারেশনটির একটি ভিডিওতে দেখানো হয় বাংলাদেশের নাদির শাহ টাকা নিয়ে যে কোন আন্তর্জাতিক বা ঘরোয়া ক্রিকেট টুর্নামেন্টে এক কথায় রাজি হয়েছেন। শাহ ৪০টি এক দিনের ম্যাচে আম্পায়ার হিসাবে কাজ করেছেন এর আগে। আর একটি ভিডিওতে শ্রীলঙ্কার গালেজ গত ১৭ সেপ্টেম্বর টি-২০ বিশ্বকাপের আগে পাকিস্তান-ভারতের প্রস্তুতি ম্যাচে ৫০,০০০ টাকার বিনিময়ে পিচ, আবহাওয়া এমনকি টসের কথাও ফাঁস করে দিতে রাজি ছিলেন। দিসানায়েক এই ম্যাচের চতুর্থ আম্পায়ার ছিলেন। শ্রীলঙ্কার আরেক আম্পায়ার গামিনি আর এক কদম এগিয়ে গিয়ে বলেছেন পর্যাপ্ত পরিমাণ মদের যোগান দিলে শ্রীলঙ্কার ক্রিকেট কর্তারা সব কিছু করতে রাজি হয়ে যাবেন।

পাকিস্তানের প্রাক্তন আইসিসি আম্পায়ার ঘাউরি চ্যানেলটির সাংবাদিকের সঙ্গে কথা বলার সময় জানিয়েছেন টাকা পেলে তিনি সব রকমের সিদ্ধান্ত বদলে রাজি। ঘাউরিরই দেশের সিদ্দিকিও টাকার বিনিময়ে ভারতের সপক্ষে সিদ্ধান্ত দিতেও পিছয়ে যাবেন বলে জানিয়েছেন।








Post Your Comment

Total Comments:0
blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।