গ্রুপ লিগের মরণ বাঁচন ম্যাচে শ্রীলঙ্কার মুখোমুখি ঝুলনরা

Update: February 5, 2013 12:19 IST

ইংল্যান্ডের কাছে ৩২ রানে পরাজিত হওয়ার পর আজ বিশ্বকাপে মুম্বইয়ে শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে অস্তিস্ব রক্ষার লড়াইয়ে নামছে ভারতীয় নারী বাহিনী। বস্তুত কাপের লড়াইয়ে টিকে থাকতে গেলে ভারত এবং শ্রীলঙ্কা দুই দলেরই কাছেই আজকের ম্যাচ অতন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

গ্রুপ-এ-এর প্রত্যেকটি দলই এখনও পর্যন্ত একটি করে ম্যাচ জিতেছে। গ্রুপ লিগের গণ্ডি টপকে নক আউট রাউণ্ডে উঠতে গেলে মিতালি রাজদের আজকের ম্যাচটা জিততেই হবে।

ওয়েস্ট ইন্ডিজকে ১০৫ রানে হারিয়ে ঝুলনরা বিশ্বকাপের শুরুটা অসাধারণ করেছিলেন। কিন্তু আগের ম্যাচে গতবারের চ্যাম্পিয়ন ইংল্যান্ডের কাছে হেরে গিয়ে বিপাকে ভারত। যদিও গত দুটো ম্যাচে প্রথমে থিরুশ কামিনী পরে হারমনপ্রীত কৌরের সেঞ্চুরি ভারতের শক্তিশালী ব্যাটিং লাইনআপের ইঙ্গিত দিয়েছে, কিন্তু শুরুটা ভাল করলেও ভারতীয় বোলিং বাহিনী এখনও পর্যন্ত আশানুরূপ প্যারফর্মেন্স করে দেখাতে পারেনি। এছাড়া আইসিসি র‍্যাঙ্কিং-এ বিশ্বের এক নম্বর ব্যাটসওম্যান ক্যাপ্টেন মিতালি রাজকেও নিজের প্রত্যাশিত ফর্মে দেখা যায়নি গত দুই ম্যাচে।

অন্যদিকে শ্রীলঙ্কা সম্পূর্ণ অপ্রত্যাশিতভাবে শেষ বলের লড়াইয়ে ইংল্যান্ডকে হারিয়ে দিলেও ওয়েস্ট ইন্ডিজের কাছে গত রবিবার সম্পূর্ণ পর্যদুস্ত হয়েছে।

এখনও পর্যন্ত একদিনের ম্যাচে মোট ১৭ বার শ্রীলঙ্কার মুখোমুখি হয়েছেন ভারতের মেয়েরা। তারমধ্যে ১৬বারই পরাজিত হয়েছে শ্রীলঙ্কা। একটি ম্যাচ অমীমাংসিত। তবে খাতায় কলমে অনেক দূর্বল শ্রীলঙ্কাকে মোটেও হালকা ভাবে নিচ্ছেন না ক্যাপ্টেন মিতালি রাজ। গ্রুপ লীগের মরণ-বাঁচন ম্যাচে তাই সর্বশক্তি নিয়েই নামছে ভারত।

গত ম্যাচে টসে জিতে ফিল্ডিং নেওয়ার পরে ভারত হেরে গেলেও ক্যাপ্টেন জানিয়েছেন আজকেও টসে জিতলে তিনি বিপক্ষকে আগে ব্যাট করতে পাঠাবেন।

সম্ভাব্য ভারতীয় দলঃ পুনম রাউত, থিরুশ কামিনি, মিতালি রাজ (ক্যাপ্টেন), হারমনপ্রীত কৌর, রিমা মালহোত্রা, কারুন জৈন (উইকেট কিপার), ঝুলন গোস্বামী, অমিতা শর্মা, নাগারাজন নিরাঞ্জনা, গোহর সুলতানা, একতা বিষ্ট







Post Your Comment

Total Comments:1

Best of luck team India

blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।