ভাজ্জিরা ধোনির ঘুম ফেরালেন, ভারত জিতল

Update: September 23, 2012 22:41 IST

হোক না নিয়মরক্ষার ম্যাচ। তবু শান্তিতেই আজ রাতটা ঘুমোতে পারবেন মহেন্দ্র সিং ধোনি। দলের বোলাররা তাঁর রাতের ঘুম কেড়ে নিয়েছিল, সেই বোলাররাই আবার তাকে ঘুম ফিরিয়ে দিল। রবিবার ইংল্যান্ডকে উড়িয়ে দিয়ে গ্রুপ সেরা হয়ে সুপার এইটে উঠল ভারত।
টি-২০ বিশ্বকাপের নিয়মরক্ষার ম্যাচে ইংল্যান্ডকে ৯০ রানে হারিয়ে দিল ভারত।

এদিন টসে জিতে ভারতকে ব্যাট করার আমন্ত্রণ জানায় ইংল্যান্ড। ব্যাট করতে নেমে প্রথমেই ইরফান পাঠানের উইকেট হারায় ভারত। তারপর ব্যাটিংয়ের হাল ধরেন বিরাট কোহলি এবং গৌতম গম্ভীর। কোহলি ৪০ রানে আউট হয়ে যাওয়ার পর ভারতের ইনিংস এগিয়ে নিয়ে যান গম্ভীর এবং রোহিত শর্মা। ৪৫ রান করে আউট হন গম্ভীর। ৫৫ রান করে অপরাজিত থাকেন রোহিত। নির্ধারিত কুড়ি ওভারে চার উইকেটে ১৭০ রান করে ভারত। ১৭১ রানের লক্ষ্যমাত্রা হাতে নিয়ে ব্যাট করতে নেমে মাত্র ৮০ রানে অলআউট হয়ে যায় ইংল্যান্ড। ম্যাচে চারটি উইকেট পেয়েছেন হরভজন সিং। দুদলই অবশ্য আগেই সুপার এইটে পৌঁছে গেছে।






Post Your Comment

Total Comments:1

Super eight e kar sathe khelbe,india

blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।