ধোনিদের সামনে এভারেস্টে ওঠার হাতছানি

Update: January 10, 2013 22:01 IST

আজ, শুক্রবার ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে পাঁচ ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজের প্রথম খেলায় নামছে ভারত। সদ্য পাকিস্তানের কাছে একদিনের সিরিজে হারতে হয়েছে ধোনিদের। তার আগে ইংল্যান্ডের কাছে টেস্ট সিরিজেও হারতে হয়েছিল ভারতকে। তাই নিজেদের হারানো সম্মান ফিরে পেতে ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে একদিনের সিরিজকে পাখির চোখ করেছে টিম ইন্ডিয়া। ইংল্যান্ডের অনভিজ্ঞ বোলিং বিভাগ ভারতের কাজ খানিকটা সহজ করে দিতে পারে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। তবে ভারতীয় ব্যাটসম্যানদের খারাপ ফর্ম চিন্তায় রাখছে টিম ম্যানেজমেন্টকে।

পাঁচ ম্যাচের এই ওয়ানডে সিরিজে ভারত ৫-০ ফলাফলে জিতলে র‌্যাঙ্কিংয়ে দু ধাপ উঠে শীর্ষে উঠে যাবে। ক্রমাগত ব্যর্থতার মাঝে তাই ধোনির কাছে দারুণ একটা সুযোগ হোয়াইটওয়াশ করে সিরিজ জিতে অধিনায়ক হিসাবে আবার নিজের জায়গাটা পাকা করা।

এমনকি খারাপ পারফরম্যান্সের জন্য দল থেকে বাদ পড়তে হয়েছে বীরেন্দ্র সেওয়াগকে। সম্প্রতি পাকিস্তানের বিরুদ্ধে ধোনি ছাড়া আর কোনও ভারতীয় ব্যাটসম্যান লড়াই তুলে ধরতে পারেনি। অন্যদিকে ভারতের বিরুদ্ধে টেস্টের পর একদিনের সিরিজও জিততে ঝাঁপাবে অ্যালিস্টার কুকের দল। গোটা দল ভাল ফর্মে থাকলেও বোলিং বিভাগে কয়েকজন সিনিয়রের না থাকা ভাবাচ্ছে টিম ইংল্যান্ডকে। পাঁচ ম্যাচের এই সিরিজে একে অপরকে হোয়াইটওয়াশ করার লক্ষ্যে ঝাঁপাবে দু`দল। কারণ প্রতিপক্ষকে হোয়াইটওয়াশ করতে পারলেই আইসিসির একদিনের তালিকায় শীর্ষে উঠে আসার সুযোগ থাকছে দু`দলের সামনে।

ভারতের সম্ভাব্য একাদশ-- গৌতম গম্ভীর, আজিঙ্কা রাহানে, বিরাট কোহলি, যুবরাজ সিং, সুরেশ রায়না, এমএস ধোনি (অধিনায়ক), রবীন্দ্র জাদেজা, আর অশ্বিন, ভুবনেশ্বর কুমার, ইশান্ত শর্মা, সামি আমেদ।






Post Your Comment

Total Comments:0
blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।