পার্থেও ব্যাটিং বিপর্যয় ভারতের

Update: January 13, 2012 11:20 IST

পার্থে তৃতীয় টেস্টে খেলতে নেমেই ব্যটিং বিপর্যয়ের শিকার হল টিম ইন্ডিয়া। টসে জিতে ভারতকে ব্যাট করতে পাঠায় অস্ট্রেলিয়া। অসি পেসারদের সামনে দাঁড়াতেই পারেনি ভারতের ব্যাটিং লাইন আপ। প্রথমেই দলের মাত্র ৪ রানের মাথায় সেওয়াগের উইকেট তুলে নিয়ে ভারতকে বেকাদায় ফেলে দেন বেন হিলফেনহাস। গম্ভীর ব্যক্তিগত ৩১ রানের মাথায় আউট হওয়ায় আরও চাপের মুখে পড়ে যায় টিম ইন্ডিয়া। মাত্র ১৫ রানে রায়ান হ্যারিসের বলে আউট হন সচিন। মধ্যাহ্নভোজের বিরতির আগেই আউট হয়ে যান দ্রাবিড়ও। মধ্যাহ্নভোজের বিরতি পর্যন্ত ভারতের স্কোর ৪ উইকেটে ৭৪।

সিডনি ও মেলবোর্নে হারের পর পার্থে জিতে সিরিজে সমতা ফেরানোর লক্ষ্যে আজ খেলতে নেমেছে টিম ইন্ডিয়া। অন্যদিকে পার্থের বিখ্যাত গতিময় পিচে ভারতকে হারিয়ে সিরিজের ফয়সালা করে নিতে চাইছে অস্ট্রেলিয়া। শক্তিশালী পেস ব্যাটারির চার সদস্যকে খেলিয়েই ভারতীয় ব্যাটিংয়ের মেরুদন্ড ভাঙার স্ট্র্যাটেজি নিয়েছেন অস্ট্রেলিও কোচ মিকি আর্থার। প্রসঙ্গত,শেষবার ভারতের বিরুদ্ধে এই পার্থেই ৭২ রানে হেরেছিল অস্ট্রেলিয়া। সেবারও চার পেসার নিয়েই নেমেছিলেন রিকি পন্টিং। টেট ছাড়াও সেই পেস অ্যাটাকে ছিলেন ব্রেট লি, স্টুয়ার্ট ক্লার্ক ও মিশেল জনসন।






Post Your Comment

Total Comments:0
blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।