জিতেও টি টোয়েন্টি বিশ্বকাপ থেকে ধোনিদের বিদায়

Update: October 2, 2012 22:37 IST

শেষরক্ষা হল না, টি টোয়েন্টি বিশ্বকাপ থেকে বিদায় নিল ভারত। দক্ষিণ
আফ্রিকার বিরুদ্ধে এক রানে জিতলেও নেট রানরেটের সূক্ষ্ম হিসাবে বিদায় নিল
ভারত। এই গ্রুপ থেকে সেমিফাইনালে উঠল অস্ট্রেলিয়া, পাকিস্তান।
শেষ চারে যাওয়ার লড়াইটা সরাসরি ভারত-পাকিস্তানের মধ্যে গিয়ে দাঁড়িয়েছিল।সেই লড়াইয়ে হার হল ধোনিদের।
খেলা শুরুর আগেই ধোনিরা জানতেন সেমিফাইনালে উঠতে হলে ৩১ রানের ব্যবধানে জিততে হবে। কিন্তু প্রথমে ব্যাটিং করে সুবিধা করতে না পারার মাশুলটা গুনতে হল। ১৫১ রান করার পর প্রতিযোগিতায় আগেই বিদায় নেওয়া দক্ষিণ আফ্রিকাকে ১২১ রানের মধ্যে গুটিয়ে রাখতে হত। কিন্তু টি টোয়েন্টিতে এই শক্ত কাজটা জাহির-অশ্বিনরা পারলেন না।
টি টোয়েন্টি বিশ্বকাপের প্রথম সংস্করণে ভারত চ্যাম্পিয়ন হলেও বাকি সব বার ধোনিরা হতাশই করেছেন। এবারও তাই হল। যে দেশে আইপিএল হয়, কোটি কোটি টাকা কামান ক্রিকেটার। সেই দেশে একই খেলায় একই ফর্ম্যাটে এতটা খারাপ করবেন কেন ধোনিরা? প্রশ্নটা কিন্তুটা থেকেই যাচ্ছে।





Post Your Comment

Total Comments:0
blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।