ব্যাডমিন্টনে এগোচ্ছে ভারত

Update: July 31, 2012 17:32 IST

অলিম্পিকে ব্যাডমিন্টনে ভারতের জয় অব্যাহত। সাইনা নেহওয়ালের পর প্রি কোয়ার্টার ফাইনালে উঠলেন পারুপল্লী কাশ্যপ। পাশাপাশি ডাবলসেও প্রথম জয় পেলেন জোয়ালা গুট্টা-অশ্বিনী পোনাপ্পা জুটি।

গ্রুপ লিগের শেষ ম্যাচে ভিয়েতনামের তিয়েন মিন গুইকে স্ট্রেট সেটে হারিয়ে পুরুষদের সিঙ্গলসের প্রিকোয়ার্টার ফাইনালে উঠেছেন পারুপল্লী কাশ্যপ। ম্যাচের প্রথম সেটে কাশ্যপ দাঁড়াতেই দেননি মিন গুইকে। ২১-৯ প্রথম সেট জিতে নেন কাশ্যপ। দ্বিতীয় সেটে অবশ্য শুরুতে কিছুটা প্রতিরোধ গড়ে তোলেন গুই। হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ে শেষ পর্যন্ত ২১-১৪তে সেট জিতে নেন কাশ্যপ। 
অলিম্পিকে ব্যাডমিন্টনে সিঙ্গলসের মত ডাবলেসও সাফল্য পেলেন ভারতীয় মহিলারা। গ্রুপ লিগের ম্যাচে হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ে চিনা-তাইপেই জুটিকে হারিয়ে দেয় জোয়ালা গুট্টা- অশ্বিনী পোনাপ্পা জুটি। ম্যাচের প্রথম থেকেই ওয়েন চেঙ্গ-ইউ চিন জুটির কাছে কড়া লড়াইয়ের মুখে পড়তে  হয় ভারতীয় জুটিকে। প্রথম গেমে ২৫-২৩ ফলে টাইব্রেকারে জয় পায় জোয়ালা-পোনাপ্পা জুটি। কিন্তু দ্বিতীয় গেমে দুরন্ত কামব্যাক করে চিনা-তাইপেই জুটি। দ্বিতীয় গেম ১৬-২১ ফলে হেরে যায় ভারতীয়রা। কিন্তু তৃতীয় গেমে স্নায়ুর লড়াইয়ে বাজিমাত করে ২১-১৮ ফলে গেম জিতে নেন জোয়ালারা। ম্যাচ জিতে প্রিকোয়ার্টার ফাইনালে যাওয়ার আশা জিইয়ে রাখল ভারতীয় জুটি। কিন্তু মিক্সড ডাবলসে গ্রুপ লিগের শেষ ম্যাচেও হেরে গেছেন জোয়ালা গুট্টা-ডিজু জুটি। জোয়ালা-ডিজু জুটি কোরিয়ার লি-হা জুটির কাছে ১৫-২১, ১৫-২১ হেরে যায়।

সোমবার রাতেই প্রি কোয়ার্টার ফাইনালে পৌঁছেছেন সাইনা নেহওয়াল। মহিলাদের সিঙ্গলস বিভাগে গ্রুপ রাউন্ডের ম্যাচে বেলজিয়ামের লিয়ানে ট্যানকে হারিয়ে দেন ভারতের এই শাটলার। সাইনার পক্ষে খেলার ফল ২১-৪, ২১-১৪। গোটা ম্যাচে প্রতিপক্ষকে দাঁড়াতেই দেননি সাইনা। মাত্র নয় মিনিটে প্রথম গেম জিতে নেন তিনি। দ্বিতীয় গেমে ট্যান খানিকটা লড়াই চালালেও শেষ রক্ষা হয়েনি তাঁর। দ্বিতীয় গেম ২১-১৪ ফলে জিতে নেন সাইনা। দ্বিতীয় গেম জিততে মাত্র ১৪ মিনিট সময় নেন পঞ্চম বাছাই সাইনা নেহওয়াল।

Post Your Comment

Total Comments:1

all the best saina

blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।