আজলানে খেলা নিয়ে ভারতীয় হকিতে নাটক

Update: February 26, 2013 16:46 IST

বড় লজ্জা থেকে বাঁচল ভারতীয় হকি। বিমান ভাড়া জোগাড় করতে না পারায় হকির এক আন্তর্জাতিক টুর্নামেন্টে খেলা বাতিল হয়ে যেতে বলেছিল ভারতের জাতীয় দলের। সরকার শেষমেশ অবশ্য ড্যামেজকন্ট্রোলে নেমে কোনওরকমে লজ্জা মেটালো।

সরকারের হস্তক্ষেপে একেবারে শেষ মুহূর্তে আজলান শাহ প্রতিযোগিতায় যাওয়ার ছাড়পত্র পেলেন সর্দারা সিংরা। স্পোর্টস অথারিটি অফ ইন্ডিয়া বিমান ভাড়া দিতে রাজি না হওয়ায় এই প্রতিযোগিতা থেকে নাম প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলেছিলেন হকি কর্তারা। ঠিক যেভাবে  অর্থের অভাবে আজলান শাহ হকি টুর্নামেন্টে দল না পাঠানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে পাকিস্তান হকি ফেডারেশন। হকি দল না যাওয়ায়র খবর প্রকাশ পেতেই তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছিল ক্রীড়ামহলে।
 
তারপরই চাপে পড়ে তড়িঘড়ি দল পাঠানোর দায়িত্ব নেয় কেন্দ্রীয় ক্রীড়ামন্ত্রক।  ইন্ডিয়ান হকি লিগের সাম্প্রতিক সাফল্যের পর এদেশে হকির হাল ফিরবে বলে আশা করা হচ্ছিল। কিন্তু এই দোলাচল প্রমাণ করল ভারতীয় হকির সুদিন ফিরতে এখনও অনেক দেরি।

আজলান শাহ হকি টুর্নামেন্টে দল না পাঠানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে ভারতীয় হকি ফেডারেশন। এবার মালয়েশিয়ায় হবে আজলান শাহ হকি টুর্নামেন্ট। কিন্তু ভারতীয় দল পাঠানোর জন্য বিমান ভাড়া দিতে রাজি নয় স্পোর্টস অথারিটি অফ ইন্ডিয়া অথবা সাই। এবছর মালয়েশিয়া ৯ মার্চ থেকে ১৭ মার্চ পর্যন্ত চলবে আজলান শাহ। গতবছর এই টুর্নামেন্টে ব্রোঞ্জ জিতেছিল ভারত। তার আগে পাঁচ বার চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল ভারত।






Post Your Comment

Total Comments:1

chii ,lojjar k tha.

blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।