ব্যাডমিন্টনের মিক্সড ডাবলসে বিদায় ভারতের

Update: July 29, 2012 20:14 IST

শনিবারের মত রবিবারও অলিম্পিকে ব্যাডমিন্টনে মিশ্র ফল করল ভারত। অলিম্পিকে ভারতের পদক জয়ের অন্যতম দাবিদার পঞ্চম বাছাই সাইনা নেহওয়াল গ্রুপ ই-এর প্রথম ম্যাচে স্ট্রেট গেমে হারালেন সুইস প্রতিপক্ষ সাব্রিনা জ্যাকেটকে। খেলার ফলাফল ২১-৯, ২১-৪। অন্যদিকে মিক্সড ডাবলসে বাছাই পর্বের খেলায় বিদায় নিলেন ভারতের জোয়াল গুট্টা এবং ভি ডিজু।

ডেনমার্ক জুটির কাছে ২-০ গেমে হেরে যান ভারতীয় জুটি। কার্যত ডেনমার্ক জুটির কাছে আত্মসম্পর্ণ করতে বাধ্য হন জোয়ালারা। শনিবার মিক্সড গ্রুপ লিগের প্রথম ম্যাচে ইন্দোনেশিয়ার জুটির কাছে স্ট্রেট গেমে হেরে যান ভারতের জোয়ালা গুট্টা-ভি ডিজু জুটি। মাত্র ২৫ মিনিটে ১৬-২১, ১২-২১ ফলে হারেন ভারতীয় জুটি। গোটা ম্যাচে কোন প্রতিদ্বন্দ্বিতাই তুলে ধরতে পারেনি জোয়ালা-ডিজু জুটি। প্রতিযোগিতায় টিকে থাকতে হলে রবিবারে জিততেই হত জোয়ালাদের।

অন্যদিকে শনিবার ডাবলসেও অশ্বিনী পোনাপ্পাকে নিয়ে গ্রুপ লিগের প্রথম ম্যাচ হারেন জোয়ালা গুট্টা। অলিম্পিকে নিজের অস্তিত্ব বাঁচিয়ে রাখতে হলে ডাবলসের গ্রুপ লিগের দ্বিতীয় ম্যাচটিকে জিততেই হবে তাঁদের। তবে শনিবার পুরুষদের সিঙ্গলস বিভাগে স্ট্রেট গেমে জয় পান ভারতের পারুপল্লি কাশ্যপ। গ্রুপ ডি-এর প্রথম ম্যাচে বেলজিয়ামের ট্যান ইউহানকে ২১-১৪, ২১-১২ ফলে হারিয়ে দেন কাশ্যপ। এই জয়ের ফলে দ্বিতীয় রাউন্ডে পৌঁছলেন তিনি।


 






Post Your Comment

Total Comments:0
blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।