বদলার সিরিজ শুরু কাল, ধোনিরা মরিয়া-কুকরা সাবধানী

Update: November 14, 2012 19:15 IST

গত বছর ইংল্যান্ডের কাছে হোয়াইটওয়াশের যন্ত্রনা এখনও ভুলতে পারেননি মহেন্দ্র সিং ধোনিরা। টিম ইন্ডিয়া প্রকাশ্যে বলছে বটে যে এই সিরিজ কোনও বদলার সিরিজ নয়। কিন্তু আমেদাবাদ টেস্ট খেলতে নামার আগে ভারতীয় ক্রিকেটারদের বডি ল্যাঙ্গুয়েজ বলছে অন্য কথা। বিরাট কোহলি থেকে জাহির খান, সকলেই কিন্তু বদলা নিতে মরিয়া। 
মোতেরার পিচ কিউরেটর জানিয়ে দিয়েছেন পিচ একেবারে স্পোটিং। কিন্তু ধোনিরা জানেন তৃতীয় দিন থেকেই এই পিচ স্পিনারদের স্বর্গ হয়ে দাঁড়াবে। তাই  দুই পেসার ও দুই স্পিনার নিয়ে খেলবে ভারত। জাহির খান, উমেশ যাদব, আর অশ্বিন ও প্রজ্ঞান ওঝা- এটাই হতে চলেছে ভারতীয় বোলিং লাইন আপ। সাত ব্যাটসম্যান হলেন সেওয়াগ, গম্ভীর, সচিন, কোহলি, পূজারা, যুবরাজ ও ধোনি।
ভারত-ইংল্যান্ড সিরিজে স্পিন বিভাগে অশ্বিন ও প্রজ্ঞান ওঝার উপরই বেশি আস্থা রাখছেন ভারত অধিনায়ক মহেন্দ্র সিং ধোনি। তাঁর মতে অশ্বিন এমন একজন বোলার যার স্পিনে বৈচিত্র আছে যা বিপাকে ফেলতে পারে ইংল্যান্ডের ব্যাটসম্যানদের। যুবরাজ সিংয়ের ফিটনেস লেভেল নিয়েও সন্তুষ্ট ধোনি। তিনি জানান, যুবরাজের মত ব্যাটসম্যান দলে ফেরায় ব্যাটিং লাইন আপে মিডল অর্ডারের শক্তি বাড়িয়েছে। ইংল্যান্ড দলও অবশ্য বসে নেই। তারা জেনেই এসেছেন স্পিন পিচই তাদের দেওয়া হবে। তাই স্পিনারদের বিরুদ্ধে রীতিমত অনুশীলন করেই এসেছেন কুকরা।

Post Your Comment

Total Comments:0
blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।