জয়ের হাসিতে আতঙ্ক গম্ভীরের চোট

Update: September 15, 2012 16:02 IST

টি টোয়েন্টি বিশ্বকাপ শুরুর আগে আয়োজক দেশ শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে প্রস্তুতি ম্যাচে দারুণ জয় পাওয়ার পরও চিন্তায় ভারত। শনিবার টি টোয়েন্টি বিশ্বকাপের গা ঘামানোর ম্যাচে শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে খেলতে নেমেছিলেন ধোনিরা। সেই ম্যাচে ২৬ রানের একটা তৃপ্তিদায়ক জয়ও পেল ভারত, কিন্তু কাঁটার মত বিঁধে থাকল গৌতম গম্ভীরের চোট। প্রথমে ব্যাট করতে নেমে বীরেন্দ্র সহবাগের সঙ্গে ওপেন করতে নামেন গৌতম গম্ভীর।
শুরুতেই বাউন্ডারি মারার পর হঠাত্‍ই লাসিথ মালিঙ্গার একটা ডেলিভারি হঠাত্‍ লাফিয়ে উঠে গম্ভীর কব্জিতে লাগে। যন্ত্রনায় লাফিয়ে ওঠার পর আর মাঠে নামেন নি গম্ভীর। পাকিস্তানের বিরুদ্ধে পরবর্তী প্রস্তুতি ম্যাচ তো বটেই পুরো বিশ্বকাপেই খেলতে পারবেন কিনা তা নিয়ে সংশয় থাকছে। ভারতীয় শিবিরের পক্ষ থেকে অবশ্য গম্ভীরের চোট নিয়ে কিছুই বলা হচ্ছে না।

গম্ভীরের চোট ছাড়া এ দিনের প্রস্তুতি ম্যাচটা অবশ্য ভারতের কাছে খারাপ গেল না। প্রথমে ব্যাট করে ধোনিরা তুললেন ১৪৬ রান। সহবাগ (১২), রায়না (১২), কোহলি (৮), যুবরাজ(১১)-দের ব্যর্থতা ঢাকলেন ধোনি, রোহিত শর্মা। ধোনি ৪২ বলে ৫৫ রান করে অপরাজিত থাকেন। রোহিত শর্মা করেন ২৬ বলে ৩৭। ৫১ রানে ৪ উইকেট থেকে ভারতের রান দাঁড়ায় ১৪৬।

শ্রীলঙ্কার ইনিংসকে আবার মাথা তুলতে দেননি ইরফান পাঠান, লক্ষ্মীপতি বালাজি। পাঠান ২৫ রানে ৫ উইকেট নেন আর বালাজি ২৮ রান দিয়ে তুলে নেন ৩ উইকেট। শ্রীলঙ্কার ইনিংস ১২০ রানে শেষ হয়ে যায়।

Post Your Comment

Total Comments:1

it is a good news for Manoj Tiwary and he will played in first 11.

blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।