আজ আইপিএলের নিলাম, লড়াই পন্টিংকে নিয়ে

Update: February 2, 2013 20:39 IST

আজ হবে ষষ্ঠ আইপিএলের নিলাম। এবারের নিলামে ১১০ জন ক্রিকেটারকে তোলা হবে। এদের মধ্যে ভারতীয় ক্রিকেটার আছে সাতজন। এবারও নিলামে রাখা হয়নি কোনও পাকিস্তান ক্রিকেটারকে। এবারের ফ্র্যাঞ্চাইজির নজর অস্ট্রেলিয়ার দুই ক্রিকেটারের দিকে। একজন প্রাক্তন অসি অধিনায়ক রিকি পন্টিং। অপরজন অস্ট্রেলিয়ার বর্তমান অধিনায়ক মাইকেল ক্লার্ক। দুজনেরই বেস প্রাইস দুকোটি টাকা। 

এবারের আইপিএলের নিলামে এই দুজনই সবচেয়ে দামী ক্রিকেটার। ক্লার্ককে পাওয়ার জন্য মরিয়া মুম্বই ইন্ডিয়ান্স। অপরদিকে পন্টিং পাওয়ার চেষ্টা করছে এবারের নতুন ফ্র্যাঞ্চাইজি হায়দরাবাদ সানরাইজার্স।

নিলামের দাঁড়িপাল্লায় যেসব বিদেশিরা ভারি--
রিকি পন্টিং (শেষ খেলেছেন কলকাতা নাইট রাইডার্সে) প্রায় ২ কোটি ১৬ লক্ষ টাকা
মাইকেল ক্লার্ক (শেষ খেলেছেন পুণে ওয়ারিয়র্সে) প্রায় ২ কোটি ১৬ লক্ষ টাকা
জেসি রাইডার (শেষ খেলেছেন পুণে ওয়ারিয়র্সে) প্রায় ৫৪ লক্ষ টাকা
অজন্তা মেন্ডিস (শেষ খেলেছেন কলকাতা নাইট রাইডার্সে ) প্রায় ২৭ লক্ষ টাকা
জোহান বোথা (শেষ খেলেছেন রাজস্থান রয়্যালসে ) প্রায় ১ কোটি ৬২ লক্ষ টাকা
হার্সেল গিবস (শেষ খেলেছেন মুম্বই ইন্ডিয়ান্সে ) প্রায় ১ কোটি আট লক্ষ টাকা

ডার্ক নানেস (শেষ খেলেছেন ডেকান চার্জার্সে) প্রায় ১ কোটি আট লক্ষ টাকা
ডাগ বোলিঞ্জার (শেষ খেলেছেন চেন্নাই সুপারে ) প্রায় এক কোটি আট লক্ষ টাকা
ভের্নন ফিল্যান্ডার (এ বারই প্রথম ) ৫৪ লক্ষ টাকা ফিলিপ ফিউজেস (এ বারই প্রথম ) প্রায় ৫৪ লক্ষ টাকা

ডারেন ব্রাভো (শেষ খেলেছেন ডেকানে ) প্রায় ৫৪ লক্ষ টাকা

ডারেন সামি (এ বারই প্রথম ) প্রায় ৫৪ লক্ষ টাকা


রবি রামপল (শেষ খেলেছেন কিংস ইলেভেন পাঞ্জাবে ) ৫৪ লক্ষ টাকা
রঙ্গনা হেরাথ (এ বারই প্রথম ) প্রায় ৫৪ লক্ষ টাকা

থিসারা পেরেইরা (শেষ খেলেছেন মুম্বই ইন্ডিয়ান্স ) প্রায় ২৭ লক্ষ টাকা৷

কোন কোন ভারতীয়দের বাজার গরম---
ওয়াসিম জাফর (শেষ খেলেছেন বেঙ্গালুরুতে ) প্রায় ২৭ লক্ষ টাকা
অভিষেক নায়ার (শেষ খেলেছেন পাঞ্জাবে ) প্রায় ৫৪ লক্ষ টাকা
মনপ্রীত গোনি (শেষ খেলেছেন দিল্লিতে ) প্রায় এক কোটি আট লক্ষ টাকা
আর পি সিং (শেষ খেলেছেন মুম্বইয়ে ) প্রায় ৫৪ লক্ষ টাকা







Post Your Comment

Total Comments:0
blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।