শেষ আটে ইতালি, স্পেন

Update: June 19, 2012 10:23 IST

ইউরো কাপের শেষ আটে পৌঁছে গেল ইতালি। গ্রুপের একেবারে শেষ দল আয়ারল্যান্ডকে ২-০ গোলে হারিয়ে কোয়ার্টার ফাইনালে প্র্যানডেলির দল। ম্যাচের ৩৫ মিনিটে কর্নার থেকে মাথা ছুঁইয়ে গোল করে ইতালিকে এগিয়ে দেন অ্যান্তোনিও ক্যাসানো। প্রথমার্ধে ১-০ গোলে এগিয়ে থাকার পর দ্বিতীয়ার্ধেও লড়াই অব্যাহত ছিল আজুরিবাহিনীর। ত্রাপাত্তোনি বনাম ইতালি-পোজনানে জমে উঠেছিল লড়াই। ম্যাচের একেবারে শেষ মূহুর্তে কর্নার থেকে দুর্ধর্ষ গোল করে ইতালির জয় নিশ্চিত করেন ম্যানসিটি তারকা বালোটেলি।

লড়াই করেও শেষ আটে যাওয়া হলনা ক্রোয়েশিয়ার। স্পেনের কাছে দুরন্ত লড়াই করেও ১-০ গোলে হেরে বিদায় ক্রোটদের। ম্যাচের প্রথম থেকেই বিশ্বসেরা স্পেনের সমান সমানে টক্কর দিচ্ছিলেন মদ্রিচ-ম্যানজুকিচরা। প্রথমার্ধে ক্রোটদের ডিফেন্স ভাঙা দূরে থাকা, নিজেদের ডিফেন্স সামলাতেই ব্যস্ত ছিলেন পিকে-রামোসরা। দ্বিতীয়ার্ধেও একই ফর্ম অব্যাহত বিলিচের ক্রোয়েশিয়ার। ইনিয়েস্তা-জাভিদের যবতীয় চেষ্টা শেষ হয়ে যাচ্ছিল ক্রোট বক্সের সামনেই। অবশেষে ম্যাচের অষ্টাশি মিনিটে নাভাস গঞ্জালেসের বিতর্কিত গোলে জয় পায় স্প্যানিশ আর্মাডা। শেষ আটের টিকিট কেটে ফেলল ডেল বস্কের দল।

Post Your Comment

Total Comments:0
blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।